,

কাবুলে হামলাকারীদের খুঁজে বের করবোই: বাইডেন

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের হামিদ কারজাই বিমানবন্দরের প্রবেশপথে জটলার মধ্যে ভয়াবহ বিস্ফোরণে জড়িতদের খুঁজে বের করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা তোমাদের ক্ষমা করবো না। তোমাদের খুঁজে বের করবোই।’

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিমানবন্দরের আবে ফটকে বিস্ফোরণে ১৩ মার্কিন সৈন্যসহ ৬০ জনের মৃত্যুর ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর হোয়াইট হাউজে ব্রিফিংকালে বাইডেন এ কথা বলেন।

তালেবানের কাবুল দখলের পর আফগানিস্তানের কারাগারগুলো থেকে বের হওয়া বন্দিরা এ ধরনের হামলা ঘটিয়ে থাকতে পারে ইঙ্গিত দিয়ে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসীদের কাছে হার মানবে না। আমরা তোমাদের ক্ষমা করবো না। আমরা (এ ঘটনা) ভুলে যাবো না। আমরা তোমাদের খুঁজে বের করবোই এবং তোমাদের এর মূল্য দিতে হবে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে আফগান সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজ জানিয়েছে, বিস্ফোরণ ঘটেছে বিমানবন্দর লাগোয়া ব্যারন ক্যাম্পের ভেতরের জটলা থেকে। যারা আফগানিস্তান ছাড়তে চাইছেন, তারাই ব্যারন ক্যাম্পে জড়ো হয়েছিলেন। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, অন্তত দুটি বিস্ফোরণ ঘটেছে। এর মধ্যে একটি ঘটেছে ব্যারন ক্যাম্পের পাশে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদরদফতর পেন্টাগনের তরফ থেকে জানানো হয়, বিস্ফোরণে ১৩ মার্কিন সৈন্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৮ সৈন্য।

আমেরিকান বার্তা সংস্থা এপি জানায়, এ ১৩ সৈন্যসহ কাবুলের বিস্ফোরণে অন্তত ৬০ জনের প্রাণ ঝরেছে। আহত হয়েছেন ১৪০ জনেরও বেশি। নিকটস্থ হাসপাতালগুলোতে ভর্তি করা হয়েছে আহতদের।

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তান তালেবানের শাসনে ছিল। এর মধ্যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আল-কায়েদার নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়ার অভিযোগে ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা জোট সেখানে যৌথ অভিযান চালায়, যার মাধ্যমে তালেবান শাসনের অবসান ঘটে।

অভিযানে আল-কায়েদার শীর্ষ নেতাদের দমন করা হলেও ‘শান্তিরক্ষার স্বার্থে’ সেখানে ঘাঁটি গেড়ে অবস্থান করছিল পশ্চিমা সেনারা। কিছু বছর পার হওয়ার পর সেখান থেকে ধাপে ধাপে যুক্তরাষ্ট্র বাদে অন্য দেশের সেনাদের ফিরিয়ে নেয়া হয়। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রও তাদের সেনাদের ফিরিয়ে নিতে শুরু করলে প্রত্যন্ত এলাকা দখল করে থাকা তালেবান কাবুলের ক্ষমতার মসনদে উঠতে জোর লড়াইয়ে নামে। যদিও এর মধ্যে তালেবানের সঙ্গে কাবুলের শাসকগোষ্ঠীর সংঘাতের অবসানে কাতারসহ বিভিন্ন পক্ষের মধ্যস্থতায় নানা সময়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু সব আলোচনাই ভেস্তে গেছে।

তালেবানের আগ্রাসনের মুখে গত ১৫ আগস্ট পশ্চিমাসমর্থিত সরকারের পতন ঘটে। তারপর থেকেই কাবুল চালাচ্ছে তালেবান।

যদিও তারা সবার জন্য ‘সাধারণ ক্ষমা’ ঘোষণা করেছে, তবে তালেবান ক্ষমতাগ্রহণের পর থেকে আফগানিস্তান ত্যাগের হিড়িক পড়ে গেছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশ কাবুলে বিশেষ প্লেন পাঠিয়ে তাদের নাগরিকদের ফেরত নিয়েছে। কেবল যুক্তরাষ্ট্রই ১৪ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত লক্ষাধিক মানুষকে আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নিয়েছে। কাবুল বিমানবন্দরে এই কার্যক্রমই চলছে এখনো।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড