,

মেসির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আদালতে খারিজ

news-image

অনলাইন ডেস্ক : ২০১২-১৩ মৌসুমে ৬৯ ম্যাচ খেলে অবিশ্বাস্য ৯১টি গোল করেছিলেন লিওনেল মেসি। এখনও পর্যন্ত ওই সময়টিকে মেসির সেরা সময় হিসেবে ধরা হত। কিন্তু না, তার চেয়েও ভাল সময় এখন কাটাচ্ছেন আর্জেন্টিনীয় এই মহাতারকা।

ক্যারিয়ারের অধরা মাধুরী ছিল যা, সেই দেশের জার্সিতে বড় টুর্নামেন্টও অবশেষে জিতে ফেলেছেন তিনি। এরপর বার্সেলোনার সঙ্গে আবার পাঁচ বছরের চুক্তি মোটামুটি নিশ্চিত। এরপর এলো আরও এক সুখবর। মেসির বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক আত্মসাৎ এবং জালিয়াতির অভিযোগ খারিজ করে দিল স্পেনের আদালত।

বর্তমানে পরিবার নিয়ে মায়ামি সমুদ্র সৈকতে ছুটি কাটাচ্ছেন মেসি। এই খবর যেন তার ছুটির আনন্দ বাড়িয়ে দেবে শতগুণে।
২০২০ সালে ফেদেরিকো রেত্তোরি নামক স্পেনের বাসিন্দা আর্জেন্টিনীয় মেসির বিরুদ্ধে আর্থিক আত্মসাতের অভিযোগ করেন। রেত্তোরির দাবি ছিল, তিনি মেসির স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায় কাজ করতেন। অভিযোগ ছিল, মেসির সংস্থা যে অর্থ পেত তা সরাসরি দান করে দেওয়াই নিয়ম ছিল। কিন্তু তা হয়নি। অনুদান পাওয়া অর্থ ব্যাংকে ঢুকত কিংবা মেসির ব্যক্তিগত কাজে খরচ হত বলে অভিযোগ করেছিলেন রেত্তোরি।

কিন্তু এই অভিযোগের সপক্ষে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। রেত্তোরিও প্রামাণ্য কোনও নথি দেখাতে পারেননি। এরপরই স্পেনের আদালত অভিযোগ খারিজ করে দেয়। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালেও একই অভিযোগ করেছিলেন রেত্তোরি। সেবারেও পাত্তা পাননি। এমনকি, রেত্তোরি যে মেসির সংস্থায় কাজ করতেন এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

এ জাতীয় আরও খবর

সবকিছুর সমালোচনা না করে সরকারকে সহযোগিতার আহ্বান

নতুন অপরাধ ঠেকাতে পুরোনো আইন যথেষ্ট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে ব্যয় বাড়ল ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা

দোলাবাড়ি ঋষিপাড়া পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি কালীপদ ঋষি দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত

ম্যাচ ছাড়াই সেমিফাইনালে উঠতে পারে বাংলাদেশ

হবু বরকে নিয়ে কী ইঙ্গিত দিলেন মিমি?

বিগত সময়ে শিক্ষাখাতের বরাদ্দে শুভঙ্করের ফাঁকি ছিল : শিক্ষামন্ত্রী

বাণিজ্য- বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশ-ইইউর নতুন উদ্যোগ

আকাশ থেকে বাঘ দেখার সুযোগ, সুন্দরবনে ফাইভ-স্টার ট্রি-হাউস রিসোর্টের পরিকল্পনা

ক্রিকেটার রিংকুর জীবনসঙ্গী হতে যাচ্ছেন এমপি প্রিয়া

উত্তর কোরিয়াকে ৩২৫ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার আদালতের

ইয়েমেনে সৌদির এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি হুথিদের