,

আম দিয়ে চুলচর্চা

news-image

অনলাইন ডেস্ক : পুরোদমে চলছে আমের মৌসুম। বাজার ভরে গেছে নানা জাতের সুস্বাদু সব আমে। জম্পেশ খাওয়া তো চলবেই, সেই সঙ্গে নিজের বিউটি রুটিনে যোগ করা যেতে পারে প্রিয় ফলটিকে। বিশেষ করে চুলের যত্নে। এ ফলের পুষ্টিগুণের কথা এখন কারোরই অজানা নয়।

আমে রয়েছে ডায়েটারি ফাইবার, প্রায় পাঁচ রকমের ভিটামিন (এ, বি৫, বি৬, সি, ই, কে), প্রচুর পরিমাণে কপার, ফোলেট, কার্বোহাইড্রেট, এমনকি প্রোটিন। এসব পুষ্টি উপাদানকে কাজে লাগিয়ে এখন অনেক হেয়ার কেয়ার প্রোডাক্টের প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি উপকরণ হিসেবে আম ব্যবহার করা হচ্ছে। চুলের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এ গরমে ঘরোয়া টোটকা হিসেবেও এ উপাদেয় ফলকে কাজে লাগানো যেতে পারে অনায়াসে।

চুলের অনেক রকমের সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বিরক্তিকর হলো খুশকি। অতিরিক্ত শুষ্ক ও তৈলাক্ত স্ক্যাল্পে এ সমস্যা বেশি দেখা যায়। সিবাম ভারসাম্যহীনতার জন্য মাথার ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক ও তৈলাক্ত হয়ে থাকে। আমে আছে ভিটামিন এ, যা সিবামের ভারসাম্য বজায় রাখে। খুশকির হাত থেকে রেহাই পেতে ঘরে বানিয়ে নিতে পারেন আমের তেল। এক কাপ নারকেল বা জলপাই তেলের সঙ্গে আধা কাপ আমের পাল্প মিশিয়ে একদম অল্প আঁচে জ্বাল দিন এক ঘণ্টা। এরপর তেলের মিশ্রণ ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন। গোসলের আগে স্ক্যাল্পে খুব ভালোভাবে তেল লাগিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট রেখে দিন। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলের জন্য সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এটি ব্যবহার করুন। বাড়তি পুষ্টির জন্য চাইলে আম-তেলের বোতলে কিছু মেথি ভিজিয়ে রেখে সংরক্ষণ করতে পারেন।

আম ভিটামিন এ, সি এবং ই-এর খুব ভালো উৎস। আরও আছে পলিফেনল, যা একটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। ভিটামিন সি এবং পলিফেনল মিলে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের ফলে যে ক্ষতি হয়, তা থেকে চুলের ফলিকলকে রক্ষা করে। আর ভিটামিন এ এবং ই চুলের গোড়া মজবুত করে এর বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। একটা পাকা আমে পাল্পের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ জলপাই তেল মিশিয়ে মাথায় লাগিয়ে রাখুন এক ঘণ্টা। তারপর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়ম করে সপ্তাহে দুই দিন লাগালেই চুল পড়া কমে আসবে।

চুলে অতিরিক্ত কেমিক্যালযুক্ত পণ্য ব্যবহার, শরীরে পানিশূন্যতার অভাবে চুলের আগা ফাটে। কেমিক্যাল ড্যামেজ রোধ এবং পানির অভাব পূরণে চুলে লাগান আমের হাইড্রেটিং মাস্ক। একটা পাকা আমের পাল্প, চার টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল এবং এক টেবিল চামচ ক্যাস্টর তেল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। এটি ভেতর থেকে পুষ্টি জুগিয়ে চুলের আগা ফাটা রোধ করবে।

মসৃণ সুন্দর চুলের জন্য
নরম মসৃণ চুলের জন্য ডিপ কন্ডিশনিং জরুরি। এটি মাথার ত্বকে আর্দ্রতা দেয়। আর পরিবেশদূষণ এবং সূর্যের আলোতে চুল যদি হয় রুক্ষ ও নিষ্প্রাণ, তাহলে ডিপ কন্ডিশনিং করতেই হবে। এ সময়ে এ কাজ আম দিয়ে করুন। একটা মাঝারি সাইজের পাকা আমের পাল্পের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ টক দই আর একটা ডিমের কুসুম মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মাথার তালুতে ভালোভাবে মেখে অপেক্ষা করুন ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট। এরপর কুসুম গরম পানি ও শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। প্যাকটি সপ্তাহে এক দিন লাগালেই যথেষ্ট।

এ জাতীয় আরও খবর

মিজানুর রহমান আজহারী: শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকদের আচরণের সুস্পষ্ট সীমারেখা নির্ধারণ করা জরুরি

কালো জাদুর অভিযোগে আত্মীয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা যাবে?

ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২২৪৯

পরীমণির জন্মদিনে ওমর সানীর স্নেহের আলিঙ্গন

১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত সেন্টমার্টিন

হঠাৎ গোলাপি জার্সি পরে কেন মাঠে নামল পাকিস্তান

গ্যাস সংকটে আবারও যমুনা সার কারখানা বন্ধ

হাসিনার ফেরার গুঞ্জনে অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেবো না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছে : শফিকুর রহমান

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা চান খাদ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: স্থগিত হলো প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার ১৫ প্রকল্পের অনুমোদন

স্পেন-যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন শামা ওবায়েদ