শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেলার গাড়ি জেলাতেই থাকতে হবে, জানালেন ওবায়দুল কাদের

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন আগামী ৬ মে থেকে ঈদকে সামনে রেখে জনস্বার্থ বিবেচনায় শর্তসাপেক্ষে গণপরিবহন চালুর ব্যাপারে সক্রিয় চিন্তাভাবনা করছে সরকার। তিনি জানান, জেলার গাড়িগুলো জেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। কোনোভাবেই জেলার সীমানা অতিক্রম করতে পারবে না।

সিটির ক্ষেত্রেও সিটি পরিবহন সিটির বাইরে যেতে পারবে না বলেও জানান মন্ত্রী। এক্ষেত্রে ঢাকায় চলাচল করা কোনো গাড়ি জেলার সীমারেখার বাইরে যেতে পারবে না। এসময় তিনি পরিবহনগুলোকে অবশ্যই অর্ধেক আসন খালি রেখে নতুন সমন্বয় করা ভাড়ায় চলতে হবে বলেও জানান।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সোমবার সকালে ময়মনসিংহ সড়ক জোন, বিআরটিএ ও বিআরটিসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। নিজের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হয়েছিলেন।

এদিকে দুপুরে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে চলমান বিধিনিষেধ আবারও বাড়িয়েছে সরকার। এ বিধিনিষেধ আগামী ১৬ মে পর্যন্ত। এই সময়ে বর্তমানের সব বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে, শুধু একটি ছাড়া। শহরের ভেতরে বাস বা গণপরিবহন চলাচল করবে ৬ মে থেকে। তবে দূরপাল্লার বাস এবং ট্রেন ও যাত্রীবাহী লঞ্চ আগের মতোই বন্ধ থাকবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বাসে নিয়মের বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না, পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীদের মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যাবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং প্রতি ট্রিপে গাড়ি জীবাণুমুক্ত করাও বাধ্যতামূলক হতে হবে।

মুখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ফেনা তুললেও বিএনপিই এদেশে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির ধারক ও বাহক বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিপরীতে শেখ হাসিনা সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করছে।

বিএনপি নিজেদের শাসনামলে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল, তাদের আমলে তারা দুর্নীতিবান্ধব ও দুর্নীতি সহায়ক ছিল উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন তারা তাদের সেই ব্যর্থতা ও দুর্নীতির পরায়ণতা ঢাকতে সরকারের বিরুদ্ধে নানা সময়ে নানা কল্পিত অভিযোগ হাজির করে।

করোনা কখন কমে আবার কখন বাড়ে- তা বলা যায় না, তাই আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে বলেছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, করোনা নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো কারণ নেই। তিনি আবারও বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত থেকে আমাদের সবার শিক্ষা নিতে হবে এবং শারীরিক দূরত্ব ও শতভাগ মাস্ক পরতে হবে।

ওবায়দুল কাদের জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ ও নগদ অর্থ সাহায্যের প্রস্তাবে এবারের ঈদে ৩৬ লাখ পরিবারের জন্য দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় অর্থ সাহায্য পৌঁছে গেছে।

যারা এই অর্থ বিতরণের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে গতবারও অনেক অভিযোগ এসেছে। অনেককেই শাস্তি পেতে হয়েছে। এমনকি অনেক জনপ্রতিনিধিকে কারাগারেও যেতে হয়েছে। এসব উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য নিয়ে এবার এ ধরনের অপকর্ম এবং অর্থ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তারা গণদুশমন হিসেবে চিহ্নিত হবে।

এবার যেন এ ধরনের পুনরাবৃত্তি না ঘটে এবং যারা সাহায্য পাওয়ার যোগ্য শুধু তারাই পাবে, মুখ চেনা লোকেরা নয় জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, গরিব মানুষকে দুর্ভোগের মধ্যে ফেলে কোনো অনিয়ম করলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা