শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্ষমতা হারাচ্ছেন মমতা?

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শনিবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার চতুর্থ দফার ভোট গ্রহণ শুরু হয়। চতুর্থ দফার ভোটের মধ্যেই প্রদেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল তৃণমূল কংগ্রেসের এক কর্মকর্তার ফাঁস হওয়া একটি অডিও ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূলের নিয়োগকৃত নির্বাচনী পরামর্শক প্রশান্ত কিশোরের (পিকে) ফাঁস হওয়া অডিওতে প্রদেশটিতে ক্ষমতায় দলবলের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। অডিওটি ফাঁস হওয়ার পরই বিরোধীদল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষমতার চেয়ার হারানোর অবসান দেখছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো বলছে, শনিবার চতুর্থ দফার ভোটের দিন পিকের অডিও প্রকাশ হয়। জানা গেছে অডিওটি বিজেপির আইটি বিভাগের প্রধান অমিত মালব্য প্রকাশ করেছেন। অডিওতে পিকের সঙ্গে সাংবাদিকদের কথোপকথন চলছে। আর তারই একাংশ তুলে ধরে টুইটে মন্তব্য করেছেন বিজেপির অমিত মালব্য।

পিকের ফাঁস হওয়া অডিওতে বলতে শোনা যাচ্ছে, এবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মুখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। হিন্দুত্ববাদ, মেরুকরণের রাজনীতি এবং অবাঙালি-দলিত-মতুয়া ভোট। হিন্দুদের ৫০-৫৫ শতাংশ ভোট পড়বে বিজেপিতে। এছাড়া মতুয়াদের দুই তৃতীয়াংশ এবং দলিত ভোটও চলে যাচ্ছে বিজেপিতে। মোদি খুব জনপ্রিয় রাজ্যে। ভোট থাকলে তার নামেই আছে, ভোট থাকলে হিন্দুত্বের নামে রয়েছে। মেরুকরণ, মোদি, হিন্দিভাষী, দলিত এগুলোই ফ্যাক্টর। শুভেন্দু গেল, কী প্রশান্ত কিশোর এলো, তা এখানে ধর্ত্যব্যের বিষয়ই নয়। মোদি এখানে জনপ্রিয়।

নির্বাচন ঘিরে রাজ্যটিতে এবার কোন দল ক্ষমতায় যেতে পারে, কোন দলের কেমন সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে- সেই চিন্তা-ভাবনা থেকে ভোটারদের অবস্থান জানার জন্য এক সমীক্ষা চালায় তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী পরামর্শক প্রশান্ত কিশোরের প্রতিষ্ঠান। সমীক্ষায় অধিকাংশ মানুষ বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন- এ প্রশ্নের ব্যাখ্যায় পিকে বলেন, যারা বিজেপি’কে ভোট দেবেন তারা আগেই বলেছেন। এছাড়া বামদের ১০-১৫ শতাংশ ভোটদাতা, তাদের দুই-তৃতীয়াংশও মনে করছেন বিজেপি সরকার গড়তে যাচ্ছে।

পিকের মতে, রাজ্যের বাম ভোটারদের কাছে মমতাকে আসনচ্যুত করাই তাদের মুখ্য বিষয়। বামদের মতে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে তাদের সুদিন আসবে।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে এবার মোট আট দফায় বিধানসভার নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে। প্রথম দফায় গত ২৭ মার্চ ৩০টি, দ্বিতীয় দফায় ১ এপ্রিল ৩০টি এবং তৃতীয় দফায় ৬ এপ্রিল ৩১টি আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর পর ১০ এপ্রিল দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম দফার নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৮৪.৬৩ শতাংশ, দ্বিতীয় দফায় ৮৬.১১ শতাংশ, তৃতীয় দফায় ৮৪.৬১ শতাংশ। চতুর্থ দফায় ভোট পড়েছে ৭৬ দশমিক ১৬ শতাংশ। আগ আগামী ১৭ এপ্রিল রাজ্যটিতে পঞ্চম দফার ভোট গ্রহণ হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা