শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ২২০৩ কোটি টাকা বরাদ্দ

news-image

অনলাইন ডেস্ক : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে চলতি অর্থবছরে দুই হাজার ২০৩ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এর মধ্যে কাবিটায় (কাজের বিনিময়ে টাকা) ১ম কিস্তিতে ৩৮০ কোটি ৫১ লক্ষ এবং ২য় কিস্তিতে ২৭৯ কোটি ৫২ লক্ষ টাকাসহ মোট ৬৬০ কোটি ২ লক্ষ টাকা। টিআর (টেস্ট রিলিফ) খাতে ১ম ও ২য় কিস্তিতে ২৭৮ কোটি টাকা করে মোট ৫৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ কাবিটা ও টিআর খাতে ১ম ও ২য় কিস্তিতে মোট এক হাজার ২১৬ কোটি ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার সেলিম হোসেনের পাঠানো তথ্য বিবরণী এ বরাদ্দের কথা জানানো হয়েছে। এছাড়াও মুজিববর্ষ উপলক্ষে চলমান কর্মসূচির আওতায় অধিক গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। সে লক্ষ্যে এবার ১ম ও ২য় কিস্তির অতিরিক্ত ৩য় কিস্তিতে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রথম বারের মত এবার ৩য় কিস্তিতে কাবিটা খাতে ৫৭০ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা এবং টিআর খাতে ৪১৭ কোটি অর্থাৎ ৯৮৭ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের “আমার গ্রাম আমার শহর” বাস্তবায়নে এসব বিশেষ বরাদ্দ দেশের প্রতিটি গ্রামকে নগর সুবিধার আওতায় আনতে ভ‚মিকা রাখতে সহায়ক হবে। গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট নির্মাণ ও সংস্কার এবং অবকাঠামো উন্নয়নে এসব অর্থ ব্যয় করা হবে। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার মাননীয় সংসদ সদস্য, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা পরিষদ এবং পৌরসভার অনুক‚লে এসব বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

৩য় কিস্তিতে সংসদ সদস্যগণকে প্রতি নির্বাচনী এলাকায় কাবিটা খাতে ১ কোটি ৭ লক্ষ ৮১ হাজার ২৮৪ টাকা করে এবং টিআর খাতে ৭৪ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি সংরক্ষিত মহিলা আসনে কাবিটা খাতে ৩৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৬৪৩ টাকা এবং টিআর খাতে ২৫ লক্ষ ২ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

প্রতি উপজেলা পরিষদে কাবিটা খাতে গড়ে ৫২ লক্ষ ২০ হাজার ৪৯২ টাকা এবং টি.আর খাতে ২৯ লক্ষ ৬৬ হাজার ৪৬৩ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তাছাড়া প্রতিটি বিভাগে টিআর খাতে ৭৮ লক্ষ ১৮ হাজার ৭৫০ টাকা করে মোট ৬ কোটি ২৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতিটি জেলায় ১৯ লক্ষ ৫৪ হাজার ৬৮৭ টাকা করে মোট ১২ কোটি ৫০ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৬৮ টাকা এবং প্রতিটি পৌরসভায় ৫ লক্ষ ৮ হাজার ৫৩৬ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়।

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে সর্বমোট ২২০৩ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বরাদ্দকৃত অর্থে গ্রামীণ অবকাঠামো তৈরি হলে ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সূত্র : কালের কণ্ঠ

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা