,

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি : আজ দীর্ঘ বন্ধের এক বছর পূর্ণ হলো

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে গত বছরের এই দিন (১৭ মার্চ) থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আজ সেই দীর্ঘ বন্ধের এক বছর পূর্ণ হলো।

এদিকে আগামী ৩০ মার্চ থেকে দেশের সব স্কুল, কলেজ এবং ২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে বলে এরই মধ্যে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তবে শিক্ষার্থীদের মত, অনলাইনে ক্লাস চলমান থাকলেও তা সরাসরি ক্লাসে উপস্থিতির মতো ফলপ্রসূ না। কেননা, ডিজিটাল ডিভাইস না থাকা, নেট না থাকা এবং প্রায়োগিক বিষয়গুলোর হাতে-কলমে প্রয়োগ না থাকায় অনেকেই পিছিয়ে পড়ছে। এই কারণে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করে দ্রুতই হল এবং বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পক্ষে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এর আগে দেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হলে ১৭ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের সব পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এরপর করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় দফায় দফায় সেই ছুটি বাড়তে থাকে। সবশেষ ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (কওমি ছাড়া) বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

এরমধ্যে করোনা সংক্রমণের হার কমে আসতে থাকলে এবং গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হলে স্কুল-কলেজ খোলা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরে ২৭ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ৩০ মার্চ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। তবে এখনও সেই সিদ্ধান্তে অটুট শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে গত বছরের এই দিন (১৭ মার্চ) থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আজ সেই দীর্ঘ বন্ধের এক বছর পূর্ণ হলো।

এদিকে আগামী ৩০ মার্চ থেকে দেশের সব স্কুল, কলেজ এবং ২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে বলে এরই মধ্যে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তবে শিক্ষার্থীদের মত, অনলাইনে ক্লাস চলমান থাকলেও তা সরাসরি ক্লাসে উপস্থিতির মতো ফলপ্রসূ না। কেননা, ডিজিটাল ডিভাইস না থাকা, নেট না থাকা এবং প্রায়োগিক বিষয়গুলোর হাতে-কলমে প্রয়োগ না থাকায় অনেকেই পিছিয়ে পড়ছে। এই কারণে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করে দ্রুতই হল এবং বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পক্ষে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এর আগে দেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হলে ১৭ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের সব পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এরপর করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় দফায় দফায় সেই ছুটি বাড়তে থাকে। সবশেষ ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (কওমি ছাড়া) বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

এরমধ্যে করোনা সংক্রমণের হার কমে আসতে থাকলে এবং গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হলে স্কুল-কলেজ খোলা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরে ২৭ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ৩০ মার্চ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। তবে এখনও সেই সিদ্ধান্তে অটুট শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সূত্র :আমারসংবাদ

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গু রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. রফিকুল ইসলামের

হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যের দল

ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র দমনের অভিযোগ বিএনপি-ছাত্রদলের বিরুদ্ধে: ডাকসু জিএস

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ১০ জনের মৃত্যু

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠন স্থগিত

যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫

ক্রিকেটারদের ৮ লাগেজ চুরি, আটক ৪

সাজেকে অবরোধ স্থগিত, পর্যটকদের জন্য খুলল সব কেন্দ্র

শিল্পে গ্যাস সংযোগের অগ্রাধিকার ঠিক করতে কমিটি গঠন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও দরপত্র বন্ধের নির্দেশ

গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আহত ২ সদস্য