,

দুর্ঘটনার দিন তড়িঘড়ি করে বেরিয়েছিলেন সেই পাইলট

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইন্দোনেশিয়ায় বিধ্বস্ত শ্রীবিজয়া উড়োজাহাজে থাকা ৬২ আরোহীর কোনো খোঁজ মেলেনি এখনো। উদ্ধারকারীরা বলছেন, সাগরে বিধ্বস্ত উড়োজাহাজের কোনো যাত্রীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।

এদিকে উড়োজাহাজের যাত্রী কারা, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি কর্তৃপক্ষ। পরিবার ও বন্ধুর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম বিবিসি তাঁদের পরিচয় জানার চেষ্টা করেছে। এই গণমাধ্যমটি তুলে ধরেছে কয়েকজনের কথা।

ফার্জা মাহারধিকার চাচা ওই বিমানের পাইলট ছিলেন। ফার্জা জানান, দুর্ঘটনার দিন তার চাচা ক্যাপ্টেন আফওয়ান (৫৪) তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি খুব পরিপাটি থাকতেন। কিন্তু সেদিন তাঁর পোশাক ইস্তিরি করা ছিল না। আবার ছেড়ে যেতে হচ্ছে বলে তিন সন্তানের কাছে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে যান।
১৯৮৭ সালে পেশাগতভাবে পাইলটের দায়িত্ব পালনের আগে থেকেই বিমানবাহিনীতে কাজ শুরু করেন ক্যাপ্টেন আফওয়ান। তিনি বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। পরিবার ও সহকর্মীরা বলছেন, তিনি বেশ ধার্মিক ছিলেন। পশ্চিম জাভার বোগোর শহরের বাসিন্দা আফওয়ান প্রতিবেশী ও সহকর্মীদের কাজে সহযোগিতা করতেন।

এদিকে ২৯ বছরের আনগা এখনো বেঁচে আছেন বলে মনে করেন মা আফরিদা। পশ্চিম সুমাত্রার বাসিন্দা আফরিদা বলেন, ‘জাকার্তায় থাকা পরিবারের সদস্যরা আনগার খোঁজ করছেন। আমিও সেখানে যেতে চাই। কিন্তু মহামারির কারণে যাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে।’

মাত্র এক সপ্তাহ আগে নাবিক আনগা প্রথম সন্তানের বাবা হয়েছেন। ছেলের নাম রেখেছেন আলভানো ফায়েজা আলিনগা। মা জানালেন, বাবা হওয়ার পর আরও পরিশ্রমী হন আনগা। মা শান্তভাবে বললেন, যদি ছেলে মারা গিয়ে থাকেন, তাহলে তাঁর মরদেহ বাড়ি নিয়ে আসবেন। ঠিকভাবে দাফন করবেন। সে সময় তাঁর হাতে আনগার ছবিটি ধরা ছিল।

ওই উড়োজাহাজে ছিলেন নবদম্পতি ইহসান আদহালান হাকিম ও পুত্রি ওয়াহিয়ুনি। ইহসানের ছোট ভাই আরউইন আমরু হাকিম জানান, সোয়েকারনো হাতা বিমানবন্দর থেকে তাঁর ভাইকে ফোন করে ফ্লাইট দেরিতে ছাড়ার কথা জানানো হয়েছিল। পনতিয়ানাকে বিয়ের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ওই দম্পতি যাচ্ছিলেন।

শ্রীবিজয়ার ওই ফ্লাইটে ইয়ুসরিলানিতার মেয়ে ইনদাহ হালিমা পুত্রি, জামাই মোহাম্মদ রিজকি ওয়াহিউদি ও তাঁদের সন্তান ছিলেন। সেই ফ্লাইট বিধ্বস্তের খবরে জ্ঞান হারান তিনি। ইনদাহ জাভায় বাবার কাছে এসেছিলেন। সেখানেই সন্তানের জন্ম হয় তাঁর। পরে সন্তানকে নিয়ে স্বামীর সঙ্গে যাচ্ছিলেন পনতিয়ানাকে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, ফ্লাইট উড়ানের আগে ইনদাহ হোয়াটসঅ্যাপে উড়োজাহাজের পাখাসহ একটি ছবি পাঠান পরিবারকে। ভারী বৃষ্টির কারণে তিনি পরিবারকে প্রার্থনা করতে বলেন।

পুলিশের সহকারী জ্যেষ্ঠ কমিশনার ইয়ানি পারমানা বলেন, স্বজনদের নমুনা সংগ্রহের জন্য ৫১ জন কর্মকর্তা কাজ করছেন। পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে কমপক্ষে আরও দুদিন সময় লাগবে। স্বজনদের থেকে নেওয়া নমুনা মিলিয়ে পরিবারের অন্যদের শনাক্ত করা হবে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গু রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. রফিকুল ইসলামের

হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যের দল

ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র দমনের অভিযোগ বিএনপি-ছাত্রদলের বিরুদ্ধে: ডাকসু জিএস

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ১০ জনের মৃত্যু

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠন স্থগিত

যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫

ক্রিকেটারদের ৮ লাগেজ চুরি, আটক ৪

সাজেকে অবরোধ স্থগিত, পর্যটকদের জন্য খুলল সব কেন্দ্র

শিল্পে গ্যাস সংযোগের অগ্রাধিকার ঠিক করতে কমিটি গঠন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও দরপত্র বন্ধের নির্দেশ

গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আহত ২ সদস্য