শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উহানের সেই সি ফুড মার্কেট এখনো অবরুদ্ধ

news-image

অনলাইন ডেস্ক : নভেল করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল বলা হয়ে থাকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহানকে। শহরটির একটি সি ফুড মার্কেটের দিকে বারবার আঙুল উঠে। যদিও বিষয়টি এখনো প্রমাণিত হয়নি।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া এ মহামারি সংক্রমণের এক বছর পূরণ হতে চলল। দেশটিতে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেও বিশ্বজুড়ে কোনোভাবেই লাগাম টানা যাচ্ছে না মৃত্যু ও সংক্রমণের।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, লকডাউন উঠে গিয়ে উহান আগের ব্যস্ততায় ফিরে গেলেও এখনো অবরুদ্ধ অবস্থায় আছে সি ফুড মার্কেটটি। ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাত থেকে সেটি বন্ধ করে দেয়া হয়।

মার্কেটতে মুরগি, সাপ, খরগোশ, বাদুড়, সামুদ্রিক প্রাণীসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর বেচাকেনা হতো। গত বছর ডিসেম্বরের শেষে উহানে নিউমোনিয়ার মতো নতুন একটি ভাইরাস দেখা দেয়। প্রথম আক্রান্ত চারজনের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে ওই বাজারের যোগাযোগ ছিল।

এরপরেই বদলে যায় সবকিছু। ওই রাতেই বন্ধ হয়ে যায় বাজারটি। জানুয়ারির শেষ দিকে পুরো শহরে আরোপ করা হয় লকডাউন। কয়েক ঘণ্টার নোটিশে ঘরবন্দী হয়ে পড়ে মানুষ। ৭৬ দিন পর সেটি তুলে নেয়া হয়।

এর এক দেড় মাসের মধ্যে বিশ্বজুড়ে নতুন করোনাভাইরাসটি হানা দেয়। ফেব্রুয়ারিতে এর নাম রাখা হয় কভিড-১৯।

অল্প সময়ের মধ্যে ইউরোপের কয়েকটি দেশ রীতিমতো মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়। পরবর্তীতে আমেরিকা অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হয়। এখন পর্যন্ত ১৬ লাখের বেশি মানুষ করোনায় মারা গেছে।

করোনা মোকাবিলায় অনেক দেশে এখনো লকডাউন ও কারফিউ জারি থাকলেও উহান গত এপ্রিলেই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে গেছে। শহরটিতে প্রাণ পেলেও অবরুদ্ধ অবস্থায় এখনও খালি পড়ে রয়েছে সি ফুড মার্কেটটি।

ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বেইজিংয়ের তর্কযুদ্ধের প্রতীক হয়ে উঠে উহানের এ মার্কেট।

ওই এলাকায় মানুষের প্রবেশ এখনও বন্ধ রাখা হয়েছে। সম্প্রতি স্থানীয় প্রশাসন ওই এলাকা ঘিরে বেষ্টনী দিয়ে রেখেছে। চীনা ঐতিহ্যবাহী পেইন্টিংয়ের পাশাপাশি গাছ লাগানো হয়েছে সেখানে।

করোনার উৎস অনুসন্ধানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) একটি প্রতিনিধি দল উহান ও এই মার্কেট পরিদর্শন করবেন বলে শোনা গিয়েছিল। যদিও সেটি আর হয়নি।

এ কাজে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের মত। শেষ পর্যন্ত কোনো মীমাংসায় পৌঁছানো সম্ভব নাও হতে পারে।

তবে মহামারির উৎসস্থল হিসেবে উহানের নাম বলা হলেও তা বিশ্বাস করেন না সেখানকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী চেন বলেন, ‘এটা কোনোভাবেই উহান থেকে হতে পারে না, বরং কেউ এখানে নিয়ে এসেছে। অথবা বাইরে থেকে অন্য কোনো পণ্যের সঙ্গে এসেছে। এখানে শুধু দেখা দিয়েছে।’

সম্প্রতি চীনা কূটনীতিক ও রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমও বলছে, তাদের বিশ্বাস ওই মার্কেট থেকে করোনা ছড়ায়নি, বরং রোগের ‘ভিকটিম’ হয়েছে সেটি। অন্য কোনো দেশ এই ভাইরাসের উৎস, সেটি প্রমাণে নানা তত্ত্বও হাজির করা হচ্ছে। যেখানে এসেছে বাংলাদেশ ও ভারতের নামও।

এ জাতীয় আরও খবর

গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, বিপাকে চালকরা

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করছেন

আলুর নাগেট তৈরির রেসিপি জেনে নিন

ভালোবাসা পেলাম, এবার তার যোগ্য হওয়ার পালা : ফারিয়া

অবশেষে অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক

ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ : শিক্ষা সচিবকে অপসারণ করল ভারত

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ

বাগেরহাটে খানজাহান আলী মিশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে সমবায় সমিতির উদ্যোগ