,

বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী লবণ সহিষ্ণু ধান উদ্ভাবন জাপানে

news-image

অনলাইন ডেস্ক : কখনো সব শেষ হয় লবণে। কখনো ‘শেষ আশা’ কেড়ে নেয় খরা। কখনো আবার সর্বস্ব ভেসে যায় সর্বনাশা ঝড়ে। এমন সব প্রাকৃতিক দুর্যোগের শঙ্কায় নির্ঘুম সময় কাটানো বাংলাদেশি কৃষকদের আশার আলো দেখাতে পারে জাপানি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত একটি নতুন জাতের লবণ সহিষ্ণু ধান।

জিনগত উন্নতির পথ খুঁজে বের করে এই ধানটি তৈরি করেছে জাপানের জাতীয় কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এনএআরও।

টোকিওর ৭৪ বছর বয়সী প্রভাবশালী সংবাদ সংস্থা কিয়োডো নিউজ রবিবার জানিয়েছে, এই ধানটি জাপানের পাশাপাশি বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনামের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ অঞ্চলে কৃষকদের উপকারে আসতে পারে।

এনএআরও বলছে, তারা এমন এক জিন খুঁজে পেয়েছেন যা মূল বৃদ্ধির ‘অ্যাঙ্গেল’ নির্ধারণে ভূমিকা রাখে। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের এই দিনগুলোতে এই আবিষ্কার আরও নতুন জাতের সন্ধান দেবে বলে আশা প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞানীদের।

গবেষক দলটিকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৫০ সাল নাগাদ জাপানের উপকূলীয় এলাকাসহ পৃথিবীর কয়েকটি দেশের অর্ধেকের বেশি আবাদি জমি লবণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনাম ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে এখনই ধানের উৎপাদন অনেকাংশে কমে গেছে।

‘ধানগাছের শিকড় জমির অবস্থা অনুযায়ী কীভাবে বেড়ে উঠবে তা এই জিনের মাধ্যমে নকশা করা সম্ভব,’ জানিয়ে সংস্থাটির প্রধান বিজ্ঞানী ইউসাকু উগা বলেন, ‘লবণাক্ত জমিতে এর ফলন কয়েক গুণ বাড়বে। অন্য জমিতেও সাধারণ ধানের মতো ফলন দেবে।’

এই জিনটি পাওয়া গেছে ইন্দোনেশিয়ার এক প্রকার ধানে, যার শিকড়গুলো স্থল পৃষ্ঠের বরাবর বেড়ে ওঠে।

খরা এবং উচ্চ মাত্রায় লবণাক্তযুক্ত মাটি ধানের চারাকে পানিতে বেড়ে উঠতে দেয় না। মাটি আবার অনেক শক্ত হয়। যার কারণে লবণের আধিক্য চারাগাছগুলোর অক্সিজেন কমিয়ে দেয়। এই পরিবেশে ধানগাছ মাটির পৃষ্ঠতল বরাবর বেড়ে উঠতে পারলে বেশি প্রাণবন্ত হয়।

বিজ্ঞানীরা ২০১৫ সাল থেকে টানা চার বছর সাসানিশিক ধান এবং ইন্দোনেশিয়ান ধানের শংকর প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন।

তারা বলছেন, জেনেটিক্যালি উন্নত এই ধান লবণাক্ত পানিতে ১৫ শতাংশ বেশি ফলন দেবে।

৪৫ বছর বয়সী সুগা বলছেন, পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের সাহায্য করতে আরও গবেষণার মাধ্যমে তারা নতুন-নতুন লবণ সহিষ্ণু ধানের জাত উদ্ভাবনের চেষ্টায় আছেন।

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গু রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. রফিকুল ইসলামের

হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যের দল

ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র দমনের অভিযোগ বিএনপি-ছাত্রদলের বিরুদ্ধে: ডাকসু জিএস

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ১০ জনের মৃত্যু

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠন স্থগিত

যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫

ক্রিকেটারদের ৮ লাগেজ চুরি, আটক ৪

সাজেকে অবরোধ স্থগিত, পর্যটকদের জন্য খুলল সব কেন্দ্র

শিল্পে গ্যাস সংযোগের অগ্রাধিকার ঠিক করতে কমিটি গঠন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও দরপত্র বন্ধের নির্দেশ

গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আহত ২ সদস্য