শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উপসর্গ নিয়ে জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তার মৃত্যু

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে হাসিবুর রহমান নামে জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিসের এক কর্মকর্তা মারা গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোররাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া তিনিই জনতা ব্যাংকের প্রথম কর্মকর্তা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিসের অ্যাডমিন শাখায় কর্মরত ছিলেন হাসিবুর রহমান। ওই শাখায় কিছুদিন আগে আরেক কর্মকর্তা আক্রান্ত হয়েছিলেন। পরে শাখাটি ১৪ দিন লকডাউন করা হয়। ওই কর্মকর্তার পাশেই বসতেন হাসিবুর রহমান।

লোকাল অফিসার মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মোবারক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার বিভাগের এক কর্মকর্তার করোনা ধরা পড়ে। নিয়মানুযায়ী, বিভাগটি লকডাউন ছিল। কিন্তু এতদিন পর হাসিব কীভাবে আক্রান্ত হয়েছে সেটা বুঝতে পারছি না। তার শরীরের নমুনা করোনা পরীক্ষার জন্য দেওয়া হয়েছে। কিন্তু রেজাল্ট পাওয়া এখনো আসেনি।’

করোনার সবগুলো লক্ষণ ওই কর্মকর্তার শরীরে ছিল বলে জানান মোবারক হোসেন। তিনি আরও বলেন, ‘তার মতো কর্মঠ ব্যাংকারের অকাল প্রয়াণে আমরা শোকাহত। তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’

জানা গেছে, গত সপ্তাহে সামান্য জ্বর জ্বর অনুভব করেন হাসিবুর রহমান। তবে গত রোববার থেকে তার করোনার লক্ষণগুলো তীব্র হতে থাকে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাতে পুরান ঢাকার বাসায় তাকে অক্সিজেন দেওয়া হয়। রাত ১২টার দিকে তার জ্বর, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট তীব্র হয়। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে তিনি মারা যান।

মৃত্যুকালে এই কর্মকর্তা এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। হাসিবুর রহমানের গ্রামের বাড়ি মাকিগঞ্জ জেলার বালিয়াটি উপজেলায়। তিনি জনতা ব্যাংকে ২০০৯ সালে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।

এই নিয়ে জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ সারা দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো পাঁচজনে। অন্য মৃতদের মধ্যে রয়েছেন- সোনালী ব্যাংকের একজন, রূপালী ব্যাংকের একজন ও দি সিটি ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা। এ ছাড়া চট্টগ্রামে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও দুই ব্যাংক কর্মকর্তা। তবে তাদের করোনার পরীক্ষা করা হয়নি।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, করোনায় আক্রান্ত ব্যাংকারের সংখ্যা মোট ৫৬ জন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা। সোনালী ব্যাংকের ৩০ কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ ছাড়াও অগ্রণী ব্যাংকের তিনজন, রূপালী ব্যাংকের তিনজন বেসরকারি ইসলামী ব্যাংকের ১০ জন, সাউথইস্ট ব্যাংকের তিনজন, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের একজন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের দুজন, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের একজন ও সিটি ব্যাংকের দুজন আক্রান্ত হয়েছেন।

এ জাতীয় আরও খবর

গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, বিপাকে চালকরা

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করছেন

আলুর নাগেট তৈরির রেসিপি জেনে নিন

ভালোবাসা পেলাম, এবার তার যোগ্য হওয়ার পালা : ফারিয়া

অবশেষে অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক

ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ : শিক্ষা সচিবকে অপসারণ করল ভারত

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ

বাগেরহাটে খানজাহান আলী মিশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে সমবায় সমিতির উদ্যোগ