,

বাড়িতে শবে বরাতের নামাজ আদায়ের অনুরোধ বিএনপির

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাসের প্রকোপ থেকে বাঁচতে আজ শবে বরাত উপলক্ষে মসজিদ, কবরস্থান ও মাজারে জনসমাগম না করে বাড়িতে নামাজ আদায়ের অনুরোধ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের মুসলমানরা নফল ইবাদতের মাধ্যমে শবে বরাত পালন করেন। তবে এবারের বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের কারণে শবে বরাতের রাতে মসজিদ, কবরস্থান ও মাজারে যেখানে বেশি জনসমাগম হয় সেখানে যাওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করছি।’

রিজভী বলেন, ‘আমরা মুসলিম ভাইদের অনুরোধ করব তারা যেন মসজিদের জামাতে নামাজ না পড়ে বাড়িতে নামাজ আদায় করেন। বিএনপি পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছে।’

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘করোনভাইরাস বাংলাদেশে এখন তীব্রমাত্রা লাভ করেছে। ঢাকাসহ সারাদেশর ২০ জেলায় এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের থাবা লক্ষ্য করা গেছে। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টায় দেশের ১০টি জেলায় করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন কমপক্ষে ১৫ জন। এমন হিসাব প্রায় প্রতিদিনের।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য নিয়ে এ সরকার কিছুই করেনি। সরকারের মন্ত্রীদের মুখে দেশে উন্নয়নের জোয়ারের খবরে এতদিন দেশ ভেসে গেছে, তাহলে স্বাস্থ্যে খাতের এত বেহাল দশা কেন? হাসপাতালে নেই কোনো আধুনিক সরঞ্জামাদি। পরীক্ষা করতে নেই সামগ্রী, রোগ ডায়াগনোসিসের কোনো ব্যবস্থা নেই, তেমন কোনো আইসিউ নেই, ১৭ কোটি মানুষের জন্য ভেন্টিলেটর আছে মাত্র ১৭শ। হাসপাতালে চিকিৎসক নেই, নার্স নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।’

রিজভী বলেন, ‘বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে মানুষ। লাশ পড়ে থাকছে পথে-ঘাটে। হাসপাতালে ঘুরতে ঘুরতে চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেছে ঢাবি শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে মানুষের বর্তমানে বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। যখন থেকে করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাব শুরু হয়েছে সরকার তখন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলেই মেডিকেল সেক্টরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধর কোন ব্যবস্থা নিতে পারছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এরই মধ্যে দেশজুড়ে ভযাবহ খাদ্য সংকট শুরু হয়েছে। মধ্যবিত্ত, নিম্ন-মধ্যবিত্তসহ দরিদ্র মানুষ সর্বগ্রাসী ক্ষুধার মধ্যে নিপতিত হয়েছে। সরকার ঢাকঢোল পিটিয়ে ত্রাণের কথা বললেও শত শত বস্তা রিলিফের খাদ্য সামগ্রি পাওয়া যাচ্ছে সরকারি দলের নেতাদের বাসায় বাসায়। যে কোনো ধরনের জাতীয় দুর্যোগ হলেই আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের হয়ে যায় পোয়াবারো।’

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গু রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. রফিকুল ইসলামের

হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যের দল

ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র দমনের অভিযোগ বিএনপি-ছাত্রদলের বিরুদ্ধে: ডাকসু জিএস

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ১০ জনের মৃত্যু

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠন স্থগিত

যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫

ক্রিকেটারদের ৮ লাগেজ চুরি, আটক ৪

সাজেকে অবরোধ স্থগিত, পর্যটকদের জন্য খুলল সব কেন্দ্র

শিল্পে গ্যাস সংযোগের অগ্রাধিকার ঠিক করতে কমিটি গঠন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও দরপত্র বন্ধের নির্দেশ

গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আহত ২ সদস্য