,

ক্রিকেটের দুঃসময়ের কাণ্ডারি না ফেরার দেশে

news-image

স্পোর্টস ডেস্ক : দেশের ক্রিকেটের শুরুর দিনগুলোর কাণ্ডারি ছিলেন। কাজ করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রথম কার্যনির্বাহী সম্পাদক হিসেবে। সেই রেজা-ই-করিম চলে গেলেন না ফেরার দেশে। রোববার (২২ মার্চ) ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

রেজা-ই-করিম রেখে গেছেন স্ত্রী ও এক সন্তান। তার ছেলে নাজমুল করিম জানিয়েছেন, ‘বাবা কয়েক দিন ধরেই একটু বেশি অসুস্থ ছিলেন। আজ ফজরের সময় তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।’

নাজমুল আরও জানিয়েছেন, আজ ফার্মগেটের বাইতুশ শরফ জামে মসজিদে বাদ জোহর রেজা-ই-করিমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

খেলেছেন ক্রিকেট। পাকিস্তান আমলে ঈগলেটস দলের খেলোয়াড় থাকা অবস্থাতেই তার সংগঠক হিসেবে কাজে জড়িয়ে পড়া। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ক্রিকেটকে প্রায় ‘শূন্য’ থেকে যারা শুরু করেছিলেন, তাদের মধ্যে একজন ছিলেন রেজা-ই-করিম।

তিনি যে সময় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কার্যনির্বাহী সম্পাদক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন, তখন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের একটি কক্ষে ছিল ক্রিকেটের কার্যালয়। আসবাবপত্র হিসেবে ছিল একটি করে টেবিল-চেয়ার আর একটি স্টিলের আলমারি। সেখানেই রাখা হতো দেশের ক্রিকেটের সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।

১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ পাওয়ার পেছনেও তার অবদান আছে। ১৯৭৭ সালে বিখ্যাত মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) বাংলাদেশ সফর করে। সেটিই ছিল কোনো বিদেশি ক্রিকেট দলের প্রথম বাংলাদেশ সফর।

এমসিসিকে যে আমন্ত্রণপত্রটি পাঠানো হয়েছিল, সেটির খসড়াও করেছিলেন রেজা-ই-করিম। দেশের মাটিতে এমসিসির বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে আম্পায়ার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

সংগঠক-আম্পায়ারিং ছাড়াও রেজা-ই-করিম আশির দশকে জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। নীতিমান এ সংগঠক ১৯৮৬ সালে আইসিসি ট্রফিগামী বাংলাদেশ দল নির্বাচন নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতদ্বৈততায় পদত্যাগও করেছিলেন। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে তিনি বোর্ডের কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

বহুদিন ধরেই বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন দেশের ক্রিকেটের দুঃসময়ের অন্যতম এই সংগঠক। দুটি কিডনিরই কার্যক্ষমতা বেশির ভাগই হারিয়েছিলেন। মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণেও আক্রান্ত হয়েছিলেন একবার।

গত কয়েকটা বছর তার কেটেছে হাসপাতালে যাওয়া-আসার মধ্যেই। সঙ্গে ছিল শ্বাসকষ্ট জনিত রোগ। ক্যানসারেও আক্রান্ত ছিলেন। সিঙ্গাপুরে মণিপুরী পাড়ার বাসায় তার জীবনের শেষ দিনগুলি কেটেছে ওষুধ আর চিকিৎসকের সান্নিধ্যেই।

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গু রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. রফিকুল ইসলামের

হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যের দল

ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র দমনের অভিযোগ বিএনপি-ছাত্রদলের বিরুদ্ধে: ডাকসু জিএস

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ১০ জনের মৃত্যু

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠন স্থগিত

যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫

ক্রিকেটারদের ৮ লাগেজ চুরি, আটক ৪

সাজেকে অবরোধ স্থগিত, পর্যটকদের জন্য খুলল সব কেন্দ্র

শিল্পে গ্যাস সংযোগের অগ্রাধিকার ঠিক করতে কমিটি গঠন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও দরপত্র বন্ধের নির্দেশ

গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আহত ২ সদস্য