,

রেস্টুরেন্ট দোকানপাট থাকছে না কাস্টমস এরিয়ায়

news-image

ডেস্ক রিপোর্ট : উন্নত বিশ্বের আদলে আরও দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক করা হচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এ জন্য দেশের প্রধান এ বিমানবন্দরের অপারেশন ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রম উন্নয়ন ও যাত্রীসেবার মান বাড়ানো ও নিরাপত্তা জোরদারসহ সার্বিক পরিবেশ দৃষ্টিনন্দন করতে ১১ দফা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এমপি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী ও বিমান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মহিবুল হক উপস্থিত ছিলেন। তারা বিমানবন্দরের যাত্রীসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন বিষয় ও কার্গো হ্যান্ডলিং ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করাসহ তা নিরসনে করণীয় সম্পর্কে মতামত দেন।

সভায় গৃহীত ১১ দফা সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে- দ্রুত ও কার্যকরভাবে সেবা প্রদানে ইমিগ্রেশন কাভারগুলোয় আরও বেশি কর্মকর্তার পদায়ন, বিদেশগামী যাত্রীদের জন্য আরও কয়েকটি আলাদা ইমিগ্রেশন কাউন্টার স্থাপন, অন অ্যারাইভাল ভিসা প্রদানের বিষয়টি দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি, বিমানবন্দরগুলোয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্ক্যানার স্থাপন, দ্রুত ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে স্ক্যানারসহ আরেকটি গ্রিন চ্যানেল স্থাপন, অনুমোদিত ব্যাংকের শাখা ছাড়া বিমানবন্দরের কাস্টমস এলাকার ভেতর থেকে বেস্টুরেন্ট, দোকানপাট, মানি এক্সচেঞ্জগুলো অপসারণ, বিমানবন্দরের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকি, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক যাত্রীদের সংমিশ্রণ ও চোরাচালানরোধে সিলেট ও চট্টগ্রাম এয়ারপোর্টে ফার্স্ট এন্ট্রি পয়েন্টেই ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস চেকিং সম্পন্ন, ভিআইপি লাউঞ্জের প্রবেশপথে শতভাগ লাগেজ চেক নিশ্চিত, বিমানবন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে একটি পূর্ণাঙ্গ স্টাডি করে তা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিমানবন্দরে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ এই সেক্টরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অধিকতর ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টিসহ প্রথাগত মানসিকতার পরিবর্তনে বিভিন্ন উদ্বুদ্ধকরণ প্রণোদনামূলক কার্যক্রম গ্রহণ। সভার এ সিদ্ধান্তগুলো চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ১৭ দপ্তরে।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, বিমানবন্দরের যাত্রীসেবার মান আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে। তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের পর এ অবস্থার আরও উন্নতি হবে। কিন্তু সেটা বাস্তবায়নের আগেই বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল ও বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং, কাস্টমস ও বিমানবন্দরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করা প্রয়োজন।

ইমিগ্রেশনে স্বল্পতম সময়ে দক্ষতার সঙ্গে যাত্রীসেবা দিতে অধিক সংখ্যক ইমিগ্রেশন অফিসার পদায়ন করা প্রয়োজন। প্রয়োজনে বিদেশগামী কর্মীদের জন্য আরও কয়েকটি আলাদা ইমিগ্রেশন কাউন্টার স্থাপন করা যেতে পারে। এ ছাড়া বেশকিছু দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক (গ্রুপ ক্যাপ্টেন) এইচএম তৌহিদ উল আহসান গতকাল মঙ্গলবার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে যে ১১ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, তা দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি আগামী দুই মাসের মধ্যে বিমানবন্দরের কাস্টমস এরিয়ার ভেতর থেকে বেস্টুরেন্ট, দোকানপাট, মানি এক্সচেঞ্জগুলো অপসারণ করা হবে। দৈনিক আমাদের সময়

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গু রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. রফিকুল ইসলামের

হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যের দল

ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র দমনের অভিযোগ বিএনপি-ছাত্রদলের বিরুদ্ধে: ডাকসু জিএস

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ১০ জনের মৃত্যু

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠন স্থগিত

যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫

ক্রিকেটারদের ৮ লাগেজ চুরি, আটক ৪

সাজেকে অবরোধ স্থগিত, পর্যটকদের জন্য খুলল সব কেন্দ্র

শিল্পে গ্যাস সংযোগের অগ্রাধিকার ঠিক করতে কমিটি গঠন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও দরপত্র বন্ধের নির্দেশ

গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আহত ২ সদস্য