,

গরীবের অ্যাম্বুলেন্স’ সিএনজি অটোরিকশা বন্ধ হলে মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে

news-image

আরিফুল ইসলাম সুমন, সরাইল : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা ও তিন চাকার যান চলাচলে আপত্তি জানিয়ে জেলা সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের লাগাতার ধর্মঘটের হুঁশিয়ারিকে অযৌক্তিক দাবি করেছেন জেলার সিএনজি অটোরিকশা মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।

বুধবার (২৪ জুলাই) বিকেলে সাংবাদিকদের এক সাক্ষাতকারে নেতারা এই দাবি করে বলেন, মহাসড়কের পাশে আলাদা লেন, ডিভাইডার নির্মাণ ও পরিকল্পিত আধুনিক সড়ক ব্যবস্থাপনা দরকার। এসবের ব্যাপারে তারা জোরালো ভূমিকা না রেখে অটোরিকশা ও তিন চাকার যান বন্ধ করতে চায়, এটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক দাবি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি মো. হেফজুল করীম বলেন, খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন, “বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি না করে কোনো শ্রমিকের চলমান কর্মসংস্থান বন্ধ করা যাবেনা”। তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিএনজি অটোরিকশা সহ তিন চাকার যানের শ্রমিক আছেন অন্তত ২০ হাজারেরও বেশি। এ অবস্থায় সড়ক-মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা চলতে দেওয়া না হলে এবং তা বন্ধ করে দেওয়া হলে এখানে অন্তত ১৫ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা অটোরিকশা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, ‘১৯৫৬ সালে অটোরিকশা যাত্রা শুরু করে।  বর্তমানে গ্রামে গঞ্জে বিশেষ করে সিএনজি অটোরিকশা ‘গরীবের অ্যাম্বুলেন্স’ হিসেবে পরিচিত। এ যানটি যাত্রী বহনে ‘ডোর টু ডোর’ সার্ভিস দিয়ে আসছে। এই গাড়ির মাধ্যমে গ্রামের হাজার হাজার বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হচ্ছে।’ এ গাড়ি কোনো অবৈধ যান নয় বলে দাবি করে তিনি বলেন, ‘অটোরিকশা চালকের সংখ্যা অসংখ্য। হাজার হাজার পরিবার এ খাতের সঙ্গে জড়িত। এগুলো প্রতিদিন কয়েক হাজার যাত্রী বহন করে থাকে।’

তিনি বলেন, এই জেলায় এ পর্যন্ত ৫ হাজার ২৫০টি সিএনজি চালিত অটোরিকশার রেজিষ্ট্রেশন করা হয়েছে। এতে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। আরো ৫ হাজার অটোরিকশা রেজিষ্ট্রেশনের অপেক্ষায়।

এদিকে তিন চাকা যানের চালকেরা  জানান, ‘চালক ও মানুষের সঙ্গে কোনো ধরণের আলোচনা ছাড়া অটোরিকশা চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তারা দাবি করেন, সড়ক দুর্ঘটনার কথা বলে মহাসড়কে এসব গাড়ি বন্ধ করার মধ্য দিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা কমতে পারে না।’

সিএনজি অটোরিকশা মালিক মো. নুরুল হুদা বলেন, পরিবেশ বান্ধব এইসব যান আমদানিতে সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব পেয়েছে। গ্রাম-গঞ্জের অলিগলির সড়কে ‘অটোরিকশা’ যাত্রী আনা-নেওয়ায় সক্ষম। অটোরিকশা বন্ধ হলে বেকারত্ব যেমন বাড়বে, পাশাপাশি দুর্ভোগ বাড়বে জনসাধারণের।

উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা সহ তিন চাকার সকল অবৈধ যান চলাচল বন্ধে জেলার সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ লাগাতার ধর্মঘটের ঘোষণা দেয়। ২৫ জুলাই সকাল ছয়টা থেকে এই ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দিয়েছিলেন ওই পরিষদের নেতারা।

এ জাতীয় আরও খবর

জিন্নাহর ভূমিকা অস্বীকারের সুযোগ নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শাহজালালের ৩য় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস

রাজশাহীতে পদ্মায় হঠাৎ উঁচু ঢেউ, দেবে গেছে ৭৫ মিটার বাঁধ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রেস সচিব

৯৯ বিচারককে একযোগে বদলি

ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত আমিরের

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর