,

শেখ হাসিনাকে হ’ত্যাচেষ্টা মামলায় মৃ’ত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৮জনসহ ৪৩ জনের আপিল

news-image

নিউজ ডেস্ক।। রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাদের আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। আপিলকারী ৪৩ জনের মধ্যে আটজন মৃ’ত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত, ২২ জন যাবজ্জীবন দ’ণ্ডপ্রাপ্ত এবং ১৩ জন ১০ বছর করে দ’ণ্ডপ্রাপ্ত।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সাংবাদিকদের জানান, ‘একটি স্বার্থান্বেষী গ্রুপ বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের স্বার্থে এ রায় দেয়া হয়েছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে খুশি করতেই এ রায় হয়েছে। আপিলে আসামিদের অভিযোগ থেকে খালাস চাওয়া হয়েছে।’

গত ৩ জুলাই এ ঘটনায় পাবনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রোস্তম আলী ৯ জনের ফাঁ’সির আদেশ দেন। এছাড়া রায়ে ২৫ জনের যাবজ্জীবন, ১৩ জনের ১০ বছর করে সশ্রম কা’রাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি, যা’বজ্জীবন সা’জাপ্রাপ্তদের ৩ লাখ টাকা এবং ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্তদের ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। আ’সা’মিদের মধ্যে কারাগারে থাকা ৩২ জন আদালতে হাজির ছিলেন। পরে ১৪ জুলাই যা’বজ্জীবন দ’ণ্ডপ্রাপ্ত আরও ৭ জন আ’ত্ম’সমর্পণ করেন। এখনও ৮ জন পলাতক রয়েছেন।

মৃ’ত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- এ কে এম আক্তারুজ্জামান, মো. জাকারিয়া পিন্টু, মোখলেছুর রহমান বাবলু, রেজাউল করিম শাহীন, শহীদুল ইসলাম অটল, আজিজুর রহমান ফড়িং, শ্যামল, মাহাবুবুর রহমান পলাশ ও শামসুল আলম। এদের মধ্যে ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু প’লাতক রয়েছেন এবং অন্যরা রোববার উচ্চ আদালতে আপিল করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর খুলনা থেকে ট্রেনে ঈশ্বরদী হয়ে সৈয়দপুরের দলীয় কর্মসূচিতে যাচ্ছিলেন তৎকালীন বিরোধীদলের নেত্রী শেখ হাসিনা। তাকে বহনকারী ট্রেনটি ঈশ্বরদী স্টেশনে প্রবেশের মুহূর্তে ওই ট্রেন ও শেখ হাসিনার কামরা লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। স্টেশনে যাত্রাবিরতি করলে আবারও ট্রেনটিতে হামলা চালানো হয়।

এ ঘটনায় পরবর্তীতে দলীয় কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করে শেখ হাসিনা দ্রুত ঈশ্বরদী ত্যাগ করেন। পরে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জিআরপি থানার ওই সময়কার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদী হয়ে তৎকালীন ছাত্রদল নেতা ও বর্তমানে ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টুসহ সাতজনকে আ’সামি করে মা’মলা করেন।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর পু’লিশ মামলাটি পুনঃতদন্ত করে। তদন্ত শেষে নতুনভাবে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীসহ ৫২ জনকে এ মামলার আসামি করা হয়। এদিকে মামলা করার পর ওই বছর কোনো সাক্ষী না পেয়ে আ’দালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয় পু’লিশ। কিন্তু আদালত ওই প্রতিবেদন গ্রহণ না করে অধিকতর তদন্তের জন্য তা সি’আইডিতে পাঠান। পরে তদন্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে সি’আইডি।

এ জাতীয় আরও খবর

জিন্নাহর ভূমিকা অস্বীকারের সুযোগ নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শাহজালালের ৩য় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস

রাজশাহীতে পদ্মায় হঠাৎ উঁচু ঢেউ, দেবে গেছে ৭৫ মিটার বাঁধ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রেস সচিব

৯৯ বিচারককে একযোগে বদলি

ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত আমিরের

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর