,

ছাত্রীদের ধর্ষণ করে ভিডিও দেখিয়ে মা’দেরও ফাঁদে ফেলত এই শিক্ষক

news-image

নিউজ ডেস্ক।। নারায়ণঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অক্সফোর্ড হাই স্কুলে বিভিন্ন ছাত্রীর সাথে প্রতারণা ও ধর্ষণের অভিযোগে আশরাফুল আরিফ নামের এক শিক্ষককে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ১১। একই সাথে ওই শিক্ষককে মদদ দেওয়ার অপরাধে প্রধান শিক্ষককেও আটক করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে র‌্যাব স্কুলটিতে অভিযান চালিয়ে দুই শিক্ষককে আটক করে। এ সময় তাদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন স্কুলটির শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ এলাকাবাসী।

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ১১ এর পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন কালের কণ্ঠকে জানান, সদর উপজেলার মিজমিজি এলাকার অক্সফোর্ড হাই স্কুলের শিক্ষক আশরাফুল আরিফ প্রায় তিন-চার বছর ধরে পঞ্চম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির বিভিন্ন ছাত্রীর সাথে নানাভাবে প্রতারণা করে আসছেন। নানা কৌশলে ওই ছাত্রীদের ফাঁদে ফেলে তিনি শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে এর ভিডিওচিত্র ধারণ করেন। এরপর সেটি দেখিয়ে ওই ছাত্রীদের মা’দের জিম্মি করে তাদের সাথেও একইভাবে যৌনাচার এবং মোটা অংকের অর্থ আদায় করেন। গত কয়েকদিন ধরে এ বিষয়টি স্কুলে ছড়িয়ে পড়লে অন্যান্য অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে তারা স্কুলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আশরাফুল আরিফের মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ছাত্রীর সাথে যৌন সম্পর্কের ছবি দেখে তাকে গণপটিুনি দেন। খবর পেয়ে র‌্যাব ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকসহ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জুলফিকারকেও আটক করে।

এলাকাবাসীসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারাও স্কুলটি বন্ধ করে দেওয়াসহ অভিযুক্তদের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

তিনি আরো জানান, আটককৃত শিক্ষক আশরাফুল আরিফের মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিভাইস জব্দ করে কমপক্ষে ২০ জন ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাকে মদদ দেওয়ার অভিযোগে প্রধান শিক্ষককেও আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে র‌্যাব জানায়।

এলাকাবাসী ব্যাপক সমালোচিত ওই স্কুলটি বন্ধ করে দেওয়ার দাবি জানালেও শত শত শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ শিক্ষা জীবনের কথা ভেবে বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। তবে এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মকর্তারাই সঠিক সিদ্ধান্ত দেবেন।

এ প্রসঙ্গে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন পারভেজ কালের কণ্ঠকে বলেন, ওই ব্যক্তির নামে তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ষণ ও যৌন হেনস্তা ইত্যাদি নানা ধারায় মামলা হবে। তবে আসামি যেহেতু এখনও র‍্যাবের হেফাজতে আছে এবং তার ব্যাপারে আরো অনুসন্ধান চলছে, তাই এখনই ঠিক বলা যাচ্ছে না কী কী ধারায় মামলা হবে। তবে বিকৃত এই আসামিকে আমরা এমনভাবে আদালতে উপস্থিত করতে চাই যাতে সে কোনোভাবেই আইনের ফাঁক গলে বের হতে না পারে। উৎস: কালের কন্ঠ

এ জাতীয় আরও খবর

জিন্নাহর ভূমিকা অস্বীকারের সুযোগ নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শাহজালালের ৩য় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস

রাজশাহীতে পদ্মায় হঠাৎ উঁচু ঢেউ, দেবে গেছে ৭৫ মিটার বাঁধ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রেস সচিব

৯৯ বিচারককে একযোগে বদলি

ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত আমিরের

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর