শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশেষজ্ঞের মতে জীবনের যে ৫ ক্ষেত্রে মুখ না খোলাই ভাল

news-image

কথায় আছে, যে যত কম কথা বলে তার দোষ কম। অধিক কথার অধিক দোষ। কিন্তু কে কথা বলা কমাতে পেরেছে? নেহাত কিছু সিদ্ধপুরুষ ছাড়া মৌনী মানুষের কথা তেমন ভাবে আমরা জানি কি?

লাইফস্টাইল বিশেষজ্ঞরা বলেন সব সময় মুখ না খোলাই ভালো। মাঝে মাঝে চুপ থাকা বুদ্ধিমানের কাজ। এতে যে কেবল শক্তিক্ষয় রোধ হয়, তা নয়। আত্মস্থ থাকার অবকাশও মেলে।
কিন্তু সম্প্রতি কমিউনিকেশন বিশেষজ্ঞ জেন ফ্লোরেস্কা জানাচ্ছেন, নীরবতা এক ধরনের যোগাযোগ। কেউ বলে নিরবতা সম্মতির লক্ষণ। আবার নীরব থেকেই বুঝিয়ে দেওয়া যায় অনেক কথা।

জীবনের কয়েকটি ক্ষেত্রে যদি আমরা মুখ না খুলি, তাহলে বিশেষ কিছু ঘটতে পারে যা আমাদের পক্ষে তো বটেই আমাদের পরিপার্শ্বের পক্ষেও লাভজনক। আপনি কখন নিরবতা পালন করবেনঃ

১। নিজেকে যখন বিভ্রান্ত বলে মনে করছেন, তখন চুপ করে থাকুন। এই সময়ে কথা বলতে গেলে বিড়ম্বনা বাড়বে। জটিলতা আপনাকে ঘিরে ফেলবে।

২। কারও মৃত্যুর পরে তাঁর আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে নীরবতা পালন করুন। অবান্তর সান্ত্বনা দেওয়ার চাইতে নীরবতাই এখানে বাঙ্ময়।

৩। কোনও আলোচনা যদি মনোগ্রাহী বলে বোধ হয়, তবে সেখানে নীরব হোন। চুপ করে শুনুন। এতে উপকার আপনারই।

৪। বাজে তর্ক, উড়ো ঝগড়া ইত্যাদির সময়ে মুখে কুলুপ আঁটুন। কেন, তা নিশ্চয়ই বলে দিতে হবে না!

৫। কাজের সময়ে যতটা পারেন কম কথা বলুন। একে মনঃসংযোগ বাড়বে। আর দিনের শেষে ক্লান্তিবোধও কম হবে।