,

ছেলের খুনে সম্মতি ছিল মায়ের!

news-image

ডেস্ক রিপোর্ট।। কিশোর শুভম রায়কে জীবিত অবস্থায় চলন্ত ট্রেনের সামনে ঠেলে ফেলা হয়েছিল, না কি আগেই খুন করে পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে ওই কাণ্ড ঘটানো হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুলিশ এ খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শুভমের মা কাকলি ও তার বন্ধু রণজিৎ ভড়কে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশের দাবি, রণজিৎ জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন যে, শুভমকে খুনের পরিকল্পনার কথা কাকলি নিজেও জানত। ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রণজিতের সঙ্গে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল শুভম। রণজিৎকে কাকু বলে ডাকত শুভম।

শুক্রবার সকালে কাঁকুড়গাছি রেললাইনের ধার থেকে ওই কিশোরের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। তদন্তে নেমে হাওড়ার চ্যাটার্জিহাট থানার পুলিশ খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শুভমের মা কাকলি ও তার বন্ধু কাঁকুড়গাছির বাসিন্দা রণজিৎ ভড়কে গ্রেফতার করে।

দু’জনকে শনিবার হাওড়া আদালতে তোলা হয়। তদন্তে প্রয়োজনীয় আরও কিছু তথ্য পেতে ওই দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তারা সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। বিচারক তা মঞ্জুর করেন।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শুভম নিখোঁজ হয়। কিন্তু মা কাকলি কেন নিরুত্তাপ ছিলেন তা প্রথম থেকেই সন্দেহ হয়েছিল তদন্তকারীদের। এমনকি বারবার জিজ্ঞাসাবাদে কাকলি দাবি করেছিল, ওই দিন রণজিতের সঙ্গে তার কোনও কথাই হয়নি।

কিন্তু কাকলির মোবাইলের কললিস্ট পরীক্ষা করে তদন্তকারীরা দেখেন, ঘটনার দিন দুপুর থেকে শুরু করে রাত ২টা পর্যন্ত বারবার দীর্ঘ সময় ধরে রণজিতের সঙ্গে কথা হয়েছে শুভমের মায়ের। এমনকি রাতে যে সময়ে কাকলি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে যায়, তখনও দু’জনের মধ্যে ফোনে কথা হয়।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে রণজিৎ দাবি করেছেন, শুভম তাকে কাকা বলে ডাকতেন। কিন্তু রণজিতের সঙ্গে কাকলির একসঙ্গে থাকা নিয়ে আপত্তি ছিল ১২ বছরের শুভমের। আর তাই ‘পথের কাঁটা’ সরাতেই ওই কিশোরকে প্রাণে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আর তার পুরোটাই কাকলি জানত বলে দাবি করেছে রণজিৎ।

পুলিশ, কাঁকুড়গাছি রেললাইনটিই খুনের জন্য নিরাপদ মনে করেছিল রণজিৎ-কাকলি। কারণ হাওড়ার প্রায় সব জায়গাই চেনা ছিল শুভমের। তাই কাকলি অসুস্থ হয়ে কলকাতার হাসপাতালে ভর্তি, এই কথা বলে হাওড়া থেকে শুভমকে নিয়ে গিয়েছিল রণজিৎ।

প্রথমে নিজের বাড়িতে কিছুক্ষণ রণজিৎ রেখেছিল শুভমকে। রাত ৮টার দিকে হাসপাতাল যাবে বলে ওই কিশোরকে নিয়ে বাড়ি থেকে বার হয়ে রণজিৎ রেললাইনের ধারে পৌঁছেছিল। এর পরে রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে চলন্ত ট্রেনের সামনে শুভমকে ঠেলে ফেলে দেন তিনি।

এ জাতীয় আরও খবর

জিন্নাহর ভূমিকা অস্বীকারের সুযোগ নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শাহজালালের ৩য় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস

রাজশাহীতে পদ্মায় হঠাৎ উঁচু ঢেউ, দেবে গেছে ৭৫ মিটার বাঁধ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রেস সচিব

৯৯ বিচারককে একযোগে বদলি

ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত আমিরের

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর