শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভেষজগুণ রয়েছে কিশমিশে

news-image

স্বাস্থ্য ডেস্ক : আদিকাল থেকেই শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে কিশমিশ। এ মিষ্টি খাবারটি কেবল সুস্বাদু নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্য ও ভারতবর্ষে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল হজম সহায়ক, ওজন বৃদ্ধিকারক ও বলকারক খাবার হিসেবে।

মোটকথা, কিশমিশ মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, কোলেস্টেরল কমায়, চোখের সুরক্ষা দেয়, অ্যাসিডিটির সমাধান করে, কলোরেক্টাল ক্যানসার প্রতিরোধ করে, রক্তস্বল্পতা দূর করে, দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষা দেয়।

কিশমিশ এমনই একটি খাবার, যা পানি বা তরল পদার্থের সংস্পর্শে এসে ফুলে ওঠে এবং এতে পানি প্রবেশ করে। এ বিশেষত্বই একে বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসায় ব্যবহারে সাহায্য করে।

প্রতি ১০০ গ্রাম কিশমিশে আছে ৩ দশমিক ৭ গ্রাম গলন-অযোগ্য আঁশ বা ইনসলিউবল ফাইবার, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হজম করতে ভূমিকা রাখে। প্রচুর গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ আছে কিশমিশে। প্রতি ১০০ গ্রাম কিশমিশ প্রায় আড়াইশ ক্যালরি ধারণ করে। তবে একই কারণে ওজনাধিক্য ও ডায়াবেটিস রোগীদের বেশি কিশমিশ খাওয়া বারণ।

১০০ গ্রাম কিশমিশে যে পরিমাণ লৌহ আছে, তাতে একজন মানুষের দৈনিক চাহিদার ২৩ শতাংশ পূরণ করে। রক্তশূন্যতা দূর করতে এবং গর্ভাবস্থায় তাই কিশমিশ খাওয়া উচিত। এ ছাড়া এতে আছে কেটেচিন ও রেসভেরাপট্রল নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক।

কিশমিশের ২৬ শতাংশ হলো শর্করা, ১৫ শতাংশ আঁশ, আমিষ আছে ৬ শতাংশ ও চর্বি মাত্র ১ শতাংশ। আছে পটাশিয়াম ২১ শতাংশ এবং লৌহ ১০ শতাংশ। এ ছাড়াও আছে ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স ও কপার। দীর্ঘ রোগ ভোগের পর শক্তি ও দ্রুত ওজন বাড়াতে কিশমিশের ব্যবহার প্রচলিত।