,

সকাল-সন্ধ্যায় নবীজি যে আমলটি বেশি-বেশি করতেন

news-image

ইসলাম ডেস্ক।। বর্তমানে মানুষ মনের শান্তির জন্য ধ্যান, মেডিটেশন, যোগসাধনা বা কত কিছু করে। নিজের নিরাপত্তার জন্য নানাবিধ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। নবীজি সা.-ও নিরাপত্তা সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন আমল করতেন। দু’আ পড়তেন। দু’আগুলোর কথা হত অত্যন্ত অর্থপূর্ণ। দু’আবাক্যগুলোর শব্দে শব্দে ছত্রে ছত্রে বিনয় নম্রতা ঝরে পড়তো। প্রকাশ পেত আল্লাহ তা’আলার এককত্ব, মহত্ব। সন্ধ্যা নামলে নবীজি সা. পড়তেন:

أَمْسَيْنَا وَأَمْسَى الْمُلْكُ لِلَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ، وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ وَخَيْرَ مَا بَعْدَهَا، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهَا، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَسُوءِ الْكِبَرِ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابٍ فِي النَّارِ وَعَذَابٍ فِي الْقَبْرِ

অর্থঃ “আমরা সন্ধ্যায় উপণীত হয়েছি। সমস্ত ক্ষমতাও আল্লাহর কুক্ষিগত হয়েছে। প্রমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনও ইলাহ নেই। তার কোনও শরীক নেই। রাজত্ব তার। প্রশংসাও তার। তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। হে আমার প্রতিপালক, আমি আপনার কাছে এ-রাতের সমস্ত কল্যাণ প্রার্থনা করছি।

রাতের পরে যত কল্যাণ আছে, তাও কামনা করছি। এই রাতের সমস্ত অকল্যাণ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। রাতের পরে আসা সমস্ত অকল্যাণ থেকেও মুক্তি কামনা করছি। আমি অলসতা থেকে, কষ্টকর বার্ধক্য থেকে পানাহ চাচ্ছি। জাহান্নামের আজাব ও কবরের আজাব থেকেও পানাহ চাচ্ছি।”

ভোর হলেও নবীজি উপরোক্ত দু’আটি পড়তেন। তবে দু’আটির শুরুতে বলতেন:

أَصْبَحْنَا وَأَصْبَحَ الْمُلْكُ لِلَّهِ

আমরা সকালে উপনীত হয়েছি। সমস্ত ক্ষমতা আল্লাহর কুক্ষিগত হয়েছে।

(আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. সূত্রে বর্ণিত দু’আটি মুসলিম শরিফে এসেছে।)

এগুলো নিছক কিছু কথা নয়। আল্লাহর তাওহীদের স্বীকারোক্তি। আসমান জমীনের স্রষ্টা একমাত্র তিনিই, এর স্বীকারোক্তি। নিজেকে কী অসহায় বানিয়ে আল্লাহর কাছে দু’আ চাইতেন প্রিয় নবীজি! নবীজি এই দু’আয় অনেক কিছু চেয়েছেন,

ক. দিনরাতের সম্ভাব্য সমস্ত কল্যাণ কামনা করেছেন। সমস্ত অকল্যাণ থেকে মুক্তি চেয়েছেন। দিনরাতের কল্যাণ ও অকল্যাণই নয় শুধু, ভবিষ্যতের কথাও বলতে ভোলেননি।

খ. শুধু তাই নয়, দুনিয়া ছাড়িয়ে আখেরাতে মুক্তির প্রার্থনাও পাশাপাশিও করেছেন।

গ. কবরের বিপদ থেকে পানাহ চেয়েছেন।

মাত্র কয়েক লাইনে এতকিছু চাওয়া পাওয়ার সম্মিলন করা নবীজির পক্ষেই সম্ভব। নবীজি এমন দু’আ কেন করতেন? তাকে আল্লাহ তা’আলা এমনিতেই রক্ষা করবেন। দুনিয়াতে কবরে ও আখেরাতে? তিনি মূলত পড়তেন আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য। পাশাপাশি উম্মতকে আমলটা শিক্ষা দেয়ার জন্যে। আমরা চাইলেই সকাল সন্ধ্যা দু’আটা পড়ে নিতে পারি।

ইয়াকীন (দৃঢ় বিশ্বাস)-এর সাথে দু’আটা পড়লে, ইনশাআল্লাহ, সব ধরনের বিপদাপদ বালা-মুসীবত থেকে আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে রক্ষা করবেন। কবর আজাব থেকে, জাহান্নাম থেকে রক্ষা করবেন। এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কী হতে পারে? পরিবর্তন ডটকম।

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর