,

ক্ষমা চাইলেন এ কে খন্দকার

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাবেক মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকারের লেখা ‘১৯৭১: ভেতরে বাইরে’ বইটি প্রকাশ হয় ২০১৪ সালে। বইটি প্রকাশের পর পরই শুরু হয় ‘ঐতিহাসিক বিভ্রান্তি নিয়ে’ বিতর্ক। বইটির ৩২ পৃষ্ঠায় লেখা ছিল বঙ্গবন্ধু যুদ্ধের ডাক দিয়ে বলেন, ‘জয় বাংলা, জয় পাকিস্তান….’। এরপর চলে গেল পাঁচ বছর।

এ বিষয়ে আজ শনিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন এ কে খন্দকার ও তার স্ত্রী ফরিদা খন্দকার। সম্মেলনে তারা নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে জাতির কাছে ক্ষমা চান। একই সঙ্গে অভিযোগের তির ঐক্যফ্রন্টের নেতা জাফরউল্লাহ, মইদুল হাসানসহ অজ্ঞাত কয়েকজনের দিকে ছোড়েন।

এ কে খন্দকারের শ্রবণ শক্তির অভাব থাকায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন তার স্ত্রী ফরিদা খন্দকার। তিনি বলেন, ‌‘বইটি প্রকাশের পরের দিনই ও ( এ কে খন্দকার) এবং আমি সংশোধন করার কথা ভাবি। কিন্তু উনারাই আমাদের তা করতে দেয়নি। বরং তারা বলেছেন, বন্ধুকের গুলি একবার ছোড়লে আর তার পিছনে ছুটে লাভ কী!’

‘এরপর প্রথমা প্রকাশনের প্রকাশক মতিউর রহমানকেও আমি ফোনে চেষ্টা করি, কিন্তু পাইনি। একবার পেয়ে বলি যে এত বড় ভুল কীভাবে হলো? তখন তিনি বললেন, এটা তো আমি দেখি না। এর বানান, ব্যাকরণগত ভুল এগুলো দেখার জন্য আলাদা লোক আছে। এরপর আর তাকে পাইনি, আর সংশোধনও করতে পারিনি’, বলেন ফরিদা খন্দকার।

এতদিন বিষয়টি পরিষ্কার করেননি কেন সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে এ কে খন্দকারের স্ত্রী বলেন, ‘বইটি প্রকাশের পর কী যে যন্ত্রণা সহ্য করেছি তা বলার মতো নয়। এইজন্য আমরা চাইনি তাদের নাম বলে তাদেরকে এই যন্ত্রণায় ফেলি।’

এই সংবাদ সম্মেলন তো পাঁচ বছর আগেই করতে পারতেন এই প্রশ্নের জবাবে ফরিদা খন্দকার বলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি, কিন্তু সাংবাদিকদের সঙ্গে সখ্যতা না থাকায় চেষ্টা করেও তা করতে পারিনি।’

প্রথমা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত এই বইটির ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি মুদ্রণ বেড়িয়েছে। তারপরও এই জায়গার সংশোধন করা হলো না। আপনারা এর বিরুদ্ধে কোনো অবস্থান নিবেন কিনা, জানতে চাইলে ফরিদা খন্দকার বলেন, ‘আসলে তাদের সঙ্গে ওইভাবে যোগাযোগ করতে পারিনি। এখন আমরা চাইবো তারা সংশোধন করুক।’

এর আগে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ‘‘১৯৭১ : ভেতরে বাইরে’ বইয়ের লেখক এ কে খন্দকার। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণেই যে মুক্তিযুদ্ধ আরম্ভ হয়েছিল, তা আমি মনে করি না। এই ভাষণের শেষ শব্দগুলো ছিল ‘‘জয় বাংলা, জয় পাকিস্তান’’। তিনি যুদ্ধের ডাক দিয়ে বললেন, ‘জয় পাকিস্তান!..’ এই অংশটুকুর জন্য দেশ প্রেমিক অনেকেই কষ্ট পেয়েছেন বলে আমি বিশ্বাস করি। এই তথ্যটুকু যেভাবেই আমার বইয়ে আসুক না কেন, এই অসত্য তথ্যের দায়ভার আমার এবং বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণে কখনই ‘জয় পাকিস্তান’ শব্দ দুটি বলেননি। আমি তাই, আমার বইয়ের ৩২ নম্বর পৃ্ষ্ঠার উল্লেখিত বিশেষ অংশ সম্বলিত পুরো অনুচ্ছেদটুকু প্রত্যাহার করে নিচ্ছি এবং একই সঙ্গে আমি জাতির কাছে ও বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।’’ দৈনিক আমাদের সময়

এ জাতীয় আরও খবর

জিন্নাহর ভূমিকা অস্বীকারের সুযোগ নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শাহজালালের ৩য় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস

রাজশাহীতে পদ্মায় হঠাৎ উঁচু ঢেউ, দেবে গেছে ৭৫ মিটার বাঁধ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রেস সচিব

৯৯ বিচারককে একযোগে বদলি

ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত আমিরের

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর