,

ঠাকুরগাঁওয়ে ধানের কেজি ৮ টাকা, নীরবে কাঁদছে কৃষক

news-image

ঠাকুরগাঁওয়ের চলতি বোরো মৌসুমে ধানের ন্যাযমূল্য না পাওয়ায় হতাশায় দিন পার করছেন চাষিরা। ধান বিক্রি করে লাভ তো দূরের কথা আসল টাকাও তুলতে পারছেন না এমন অভিযোগ চাষিদের।

এমনকি বাজারে ধানের চাহিদা না থাকায় কাঁচা ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। ধান চাষ করে খরচ না ওঠায় নীরবে কাঁদছেন কোনো কোনো কৃষক। কেউ কেউ বলছেন এমন জানলে ধান চাষ করতাম না। কারণ ৮ টাকা কেজি দরে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে কৃষকদের।

ঠাকুরগাঁও কৃষি অধিদফতরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী চলতি মৌসুমে জেলায় বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬২ হাজার ৩শ ৬০ হেক্টর আর অর্জিত হয়েছে ৬২ হাজার ৩শ ৫০ হেক্টর জমিতে। কৃষি বিভাগ জরিপে দেখা গেছে, উৎপাদন গত বছরের তুলনায় এবার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর প্রতি হেক্টরে চাল উৎপাদন হয়েছিল ৩.৮ টন আর এবার বৃদ্ধি পেয়ে ৪ টন হচ্ছে।

আশানরুপ ফলন হলেও ধান উৎপাদনে প্রয়োজনীয় সকল উপাদানের দাম বেশি থাকায় লোকশানের মুখে পড়েছেন চাষিরা। গত মৌসুমের ধান ব্যবসায়ীদের ঘরে জমে থাকায় ধান ক্রয়ে তেমন আগ্রহ নেই ব্যবসায়ীদের। তাই বাজারে ধানের চাহিদা না থাকায় দাম কমেছে ধানের।

১ হাজার ৬শ ৯০টি হ্যাস্কিং মিল ও ১৭টি অটো রাইস মিলের মাধ্যমে ৩০ হাজার ৬শ ১৯ মেট্রিক টন চাল ও ১ হাজার ৮শ ৫৭ মেট্রিক টন ধান ক্রয় করবে সরকার। যা উৎপাদনের তুলনায় অতি সামান্য।

সদর উপজেলার জামালপুর এলাকার কৃষক আব্দুল্লাহ ও হামিদুর জানান, বর্তমানে ঠাকুরগাঁওয়ে হাট বাজার গুলোতে প্রতি মণ ধান ৩শ থেকে সাড়ে ৩শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যেখানে প্রতি মণ ধান উৎপাদনে খরচ পড়েছে ৬শ থেকে ৭শ টাকা। এই ভাবে ধানের দাম প্রতিবার কম পাওয়ায় কৃষকরা লোকসানে পড়েছে। এর পরের বছর থেকে কোন কৃষক আর ধান চাষ করতে চাইবে না বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

জেলার চাল কল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান রাজু বলেন, বর্তমানে বাজারে যে ধান আমদানি হচ্ছে তা কাঁচা ধান। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আদ্রর্তায় আনলে ৪০ কেজির মধ্যে ১০ কেজি কমে যায়।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আফতাব হোসেন বলেন, ধান উৎপাদনের জন্য সকল উপাদন সময় মতো পাওয়ায় ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে চাষিদের ধান উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান বাজারে যে দাম তাতে চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তবে ধান শুকিয়ে সংরক্ষণ করলে পরে লাভবান হতে পারে।

এছাড়াও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ধান চাষিদের তালিকা প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত সময়ে ধান-চাল ক্রয় শুরু হবে। ব্যবসায়ীরা ক্রয় শুরু করলে বাজার স্থিতিশীল হতে পারে।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর

আরেক দফা বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

সাজুর মরদেহ বাড়ি ফিরেছে, রেবতি সরকার দাহ হয়েছেন ভারতে

কলেরার টিকা শুরু, পাবেন না অন্তঃসত্ত্বারা

রাভেন্নায় ফিরছেন রোনালদিনহো