,

বাড়ছে হত্যা-অপহরণ, পুরুষশূন্য হচ্ছে গ্রাম

news-image

বান্দরবান প্রতিনিধি| | পাহাড়ে বাড়ছে হত্যা-অপহরণ। উপজাতি অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রাম থেকে খুনের শিকার হচ্ছেন কোনো গোষ্ঠি বা রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী। অপহরণ হচ্ছেন সাধারণ জনগণ থেকে বিভিন্ন দলের পদপ্রাপ্ত ব্যক্তি। আর এ কারণেই পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ও রাজভিলা ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম।

গত দুই সপ্তাহে গ্রামগুলো থেকে অপহৃত হয়েছেন ২ জন। খুনের শিকার হয়েছেন আওয়ামী লীগ কর্মীসহ ৩ জন। সর্বশেষ গত বুধবার সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের মুখে অপহৃত হন চথোয়াই মার্মা। রাত ৯টার দিকে নিজ বাড়ি থেকেই অপহরণ করা হয় এই আওয়ামী লীগ নেতাকে।

আধিপত্য বিস্তার ও প্রতিশোধের কারণেও হত্যা-অপহরণের শিকার হচ্ছেন সাধারণ জনগণ। একের পর এক হত্যা ও অপহরণের কারণে জীবন বাঁচাতে বুড়ি পাড়া, উজিমুখ হেডম্যান পাড়া, জর্দান পাড়া, রাবার বাগানসহ বিভিন্ন এলাকার যুবক ও মাঝ বয়সী পুরুষরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

সমরেজমিনে গিয়ে গ্রামগুলোর বেশ কয়েকটি ঘরে শুধু নারী ও শিশু ছাড়া কাউকে পাওয়া যায়নি। বুড়ি পাড়ায় গিয়েও একই অবস্থা দেখা গেছে। তবে কথা হয় চিং ম্রে সাং মারমা নামে এক বাসিন্দার সঙ্গে। তিনি জানান, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন সময় এলাকায় এসে কাউকে না কাউকে গুলি করছে। কাউকে আবার অপহরণ করে নিয়ে যাচ্ছে। ভয়ে রাতে পুরুষরা গ্রামে থাকে না। জীবন বাঁচাতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

কুহালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছানা প্রু মার্মা বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে যেভাবে খুন আর অপহরণ শুরু হয়েছে, তাতে করে জীবন বাঁচিয়ে না পালানো ছাড়া উপায় নেই। আজ এই পাড়া, তো কাল ওই গ্রাম। কোনো নির্দিষ্টতা নাই। কখন আসবে, গুলি করবে, অস্ত্র দেখিয়ে তুলে নিয়ে যাবে; এই ভয়ে গ্রামগুলোর পুরুষরা রাতে বাড়ি থাকে না। অনেকে পালিয়ে গেছে, কেউ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়।

এ ব্যাপারে বান্দরবান পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার বলেন, হত্যা ও অপহরণের ঘটনার পর থেকে এলাকাগুলোর জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে পুরুষরা রাতে গ্রামে থাকছেন না। তাদের নিরাপত্তার জন্য তাইংখালী এলাকায় একটি পুলিশ ও সেনা ক্যাম্প বসানো হয়েছে।

তিনি জানান, গ্রামবাসীর নিরাপত্তা রক্ষায় বিভিন্ন পাড়ায় রাতে টহল বাড়ানো হয়েছে। গত বুধবার আওয়ামী লীগ নেতা চথোয়াই মার্মা অপহরণের পর সেনা ও পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে। কিন্তু তার কোনো খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি।

জাকির হোসেন আরও বলেন, বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে দুই দিন অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ ছাড়া চথোয়াই মার্মাকে খুঁজতে তার দলের লোকেরাও পুলিশকে সাহাজ্য করছে। অপহরণকারীদের বিষয়ে আমরা কিছু তথ্য পেয়েছি; আশা করছি খুব শিগগির সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে পারবো। সূত্রঃ দৈনিক আমাদের সময়

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর