শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইতিকাফের নিয়ম

news-image

ইসলামডেস্ক।। রমজানের সঙ্গে ইতিকাফের একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। রোজার শেষ দশদিনে যে ইতিকাফ তা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। সাধারণত এই সময়টাতে লাইলাতুল কদরের রাতকে খোঁজা হয়। এবার জেনে নেই ইতিকাফের নিয়মাবলী-

ওয়াজিব ইতিকাফ অন্ততপক্ষে একদিনের জন্য হতে পারে। তার কম সময়ের জন্য হবে না। এজন্য ওয়াজিব ইতিকাফে রোজা শর্ত। ওয়াজিব ইতিকাফে রোজা শর্ত বটে। কিন্তু এটা জরুরী নয় যে, সে রোজা খাস করে ইতিকাফের জন্য করতে হবে। রমজানের রোজাই ইতিকাফের জন্য যথেষ্ট। ওয়াজিব ইতিকাফ কমপক্ষে একদিন এবং বেশি যতো ইচ্ছা হতে পারে।

মুস্তাহাব ইতিকাফের সময় নির্ধারিত নেই, কয়েক মিনিটের ইতিকাফও হতে পারে। যদি কেউ রাত ও দিনের ইতিকাফের নিয়ত করে অথবা কয়েক দিনের ইতিকাফের নিয়ত করে তাহলে রাত তার মধ্যে শামিল মনে করতে হবে। তবে যদি একদিনের ইতিকাফের মানত করা হয়, তাহলে সারাদিনের ইতিকাফ ওয়াজিব হবে রাতের ইতিকাফ ওয়াজিব হবে না।

মুন্নাতে মুয়াক্কাদা ইতিকাফে ২০ রমজান সূর্যাস্তের পূর্বে মসজিদে প্রবেশ করতে হবে। ঈদের চাঁদ উদয় না হওয়া পর্যন্ত ইতিকাফের স্থানে অবস্থান করতে হবে। মেয়েদের নিজের ঘরেই ইতিকাফ করা উচিত। তাদের মসজিদে ইতিকাফ করা মাকরূহ। সাধারণত ঘরে যে স্থানে তারা নামায পড়ে তা পর্দা দিয়ে ঘিরে নেবে এবং ইতিকাফের জন্য তা নির্দিষ্ট করে নেবে।

প্রাকৃতিক প্রয়োজনে, যেমন- পেশাব, পায়খানা, গোসল প্রভৃতি কাজে বের হওয়া যাবে। শরীয়তের প্রয়োজন যেমন জুমার নামাজ প্রভৃতির জন্য বের হওয়া যাবে। কিন্ত প্রয়োজন পূরণের সঙ্গে সঙ্গে ইতিকাফের স্থানে ফিরে যেতে হবে। তথ্যসূত্র : মাওলানা মোফাজ্জল হকের রোজা ইতিকাফ ফিদইয়া ফিতরা গ্রন্থ।