শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তামিম-সৌম্যর ব্যাটে জয়ের পথে এগুচ্ছে বাংলাদেশ (সরাসরি)

news-image

স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশের একটা সমস্য প্রকট, সেটা ওপেনিংয়ে। একপ্রান্তে তামিম দুর্দান্ত ব্যাটিং করলেও অন্যপ্রান্তে তামিমের মতো কাউকেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। লিটন-সৌম্য হতে শুরু করে ইমরুল কেউই ব্যাটিংয়ে নিজদের সেরাটা দিতে পারেননি। তবে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে যে সূচনাটা করেছেন তামিম-সৌম্য, এমন সূচনাই চায় বাংলাদেশ।

ডাবলিনের ক্লনটার্ফ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করে ২৬১ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টার্গেটে খেলতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা আসে তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকারের ব্যাট থেকে। ডিপিএলের শেষ পর্বে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ধরে রেখেছেন নিজের সেরাটা।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩০.১ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে টাইগারদের সংগ্রহ ১৬৫ রান। তামিম ৭৫ ও সাকিব ১০ রান করে ক্রিজে রয়েছেন।

এছাড়া সৌম্য সরকার ৬৮ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় ৭৩ রান করে ফিরে যান।

শাই হোপের কাঁধে ভর করে ২৬১ রান করেন ক্যারিবীয়রা। তিনি ১০৯ রান করেন। এ ছাড়া রোস্টন চেজ করেন ৫১ রান। শুরুর দিকে উইন্ডিজদের রাজত্ব থাকলেও শেষ দিকে দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যাচ নিজেদের দিকে নিয়ে এসেছেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা।

হোপকে আটকাতে পারলে এই ম্যাচের গল্প অন্যরকম হতে পারতো। হোপ-রোস্টন চেজ ছাড়া বলার মতো কেউ রান করতে পারেনি। কার্টার ১১ ও নার্স করেন ১৯ রান।

আজকের ম্যাচে টাইগারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল বোলার অধিনায়ক মাশরাফি। ১০ ওভার বল করে ৪৯ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়েছেন। কিপ্টে বোলিং করেছেন সাকিব আল হাসান। ১০ ওভার বল করে মাত্র ৩৩ রান দিয়ে নিয়েছেন ১ উইকেট।

সবচেয়ে খরুচে বোলার ছিলেন মোস্তাফিজ। ১০ ওভারে ৮৪ রান দিয়ে নিয়েছেন দুই উইকেট। এ ছাড়া সাইফুদ্দিন দুটি ও মেহেদি মিরাজ নেন একটি করে উইকেট।

ফাস্ট বোলার রুবেল হোসেনকে ছাড়াই সাজানো হয়েছে টাইগার একাদশ। দলে আছেন ইনজুরি থেকে ফেরা মোস্তাফিজুর রহমান। সৌম্য সরকার থাকলেও একাদশে জায়গা হয়নি লিটন দাসের।

https://youtu.be/tO1aNX58V8g