শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​দুর্বল আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দলের বিপক্ষে শক্তিশালী টাইগারদের লজ্জাজনক হার

news-image

আয়ারল্যান্ডের ‘এ’ দলের বিপক্ষে হেরে গেছে বাংলাদেশ। আইরিশদের দেয়া ৩০৮ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ২১৯ রানেই অলআউট হয়েছে টাইগাররা। বাংলাদেশের ইনিংসের ৯৭ রানে প্রথম সারির চার ব্যাটসম্যানের উইকেট হারিয়েই মূলত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় টাইগাররা। উদ্বোধনী জুটিতে স্কোর বোর্ডে ৫৬ রান যোগ করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন কুমার দাস।

এরপর শূন্য রানের ব্যবধানে ফেরেন দুই ওপেনার। শেন গেটকেটের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৩৩ বলে ২১ রান করেন তামিম। পিটার চেজের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে প্যাভেলিয়নের পথ ধরেন অন্য ওপেনার লিটন কুমার দাস। তার আগে ৩৯ বলে ২৬ রান করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।

এই ধকল সামলিয়ে ওঠার আগেই ফের বিপদে পড়েন মুশফিকুর রহিম। দলীয় ৮২ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তার আগে ২৯ বলে মাত্র ১১ রান করেন বাংলাদেশ দলের এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। এরপর ইনিংস মেরামত করার আগেই ফিরে যান মোহাম্মদ মিঠুন। সিমি সিংয়ের শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ১৪ বলে ১৩ রান করেন জাতীয় দলের এই মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান।

রোববার আয়ারল্যান্ডের দ্যা হিলস ক্রিকেট মাঠে ত্রিদেশীয় সিরিজের একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ ও স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দল। এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দলের অধিনায়ক হ্যারি টেক্টর। প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামা আইরিশদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন রুবেল হোসেন। তার গতির মুখে পড়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার জ্যাক ট্যাক্টর। তার আগে ২৫ বলে ১৫ রান করেন তিনি।

তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নামা জেমস শ্যাননকে দলীয় ৭৯ রানে সাজঘরে ফেরান বাংলাদেশ সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। নিজের তৃতীয় ওভারে জেমস শ্যাননকে আউট করেন সাকিব আল হাসান। সাকিবের বলে লিটনের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন ২৫ বলে ১৮ রান করা শ্যানন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন জেমস ম্যাককলাম ও সিমি সিং। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এই জুটি ভাঙেন রুবেল হোসেন। রুবেল হোসেনের গতির শিকার হওয়ার আগে ১০৯ বলে ১৫টি চার ও এক ছক্কায় ১০২ রান করেন ম্যাককলাম।

একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটিংয়ে ঝড় তোলেন আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দলের ওপেনার জেমস ম্যাককলাম। সময়ের ব্যবধানে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা আইরিশ এই ওপেনারকে সাজঘরে ফেরান রুবেল হোসেন। অবশ্য তার আগে সেঞ্চুরি করেন ম্যাককলাম। তাসকিন আহমেদের শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ৬টি চার ও ২টি ছক্কার সহায়তায় ৯৫ বলে ৯১ রান করেন সিমি সিং। এছাড়া টাইরন কেন অপরাজিত ২৭ রান করেন।

বাংলাদেশ দলের হয়ে একাই তিন উইকেট শিকার করেন তাসকিন আহমেদ। এছাড়া দুটি উইকেট শিকার করেন রুবেল হোসেন। এছাড়া সাকিব আল হাসান, ফরহাদ রেজা ও মেহেদী হাসান মিরাজ একটি করে উইকেট শিকার করেন।