শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ তৎপরতা শুরু

news-image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে দেশের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা শুরু হয়েছে। যদিও অনেকটা দুর্বল হয়ে ‘ফণী’ বাংলাদেশ ভূখণ্ড অতিক্রম করেছে। কিন্তু দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি উপকূলীয় জেলা এবং উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকায় বাড়িঘরসহ ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

লন্ডনে সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রুত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার নির্দেশ প্রদান করেছেন বলে রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড়জনিত কারণে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের পাশাপাশি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

সংশ্লিষ্ট এলাকার উপজেলা ও জেলা প্রশাসন, সরকারের বিভিন্ন বিভাগ, জনপ্রতিনিধি এবং বেসরকারি সংস্থাগুলো এরই মধ্যে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে সরেজমিনে মাঠে কাজ করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর সদস্যরাও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে গেছেন। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে সহায়তা করার জন্য বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারযোগে আজ উপকূলীয় এলাকায় আকাশপথে জরিপকাজ পরিচলনা করা হচ্ছে।

রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাত-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক পর্যালোচনা সভা করেন। তিনি কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদানের নির্দেশ দেন বলেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে।

সরকার প্রণীত দুর্যোগবিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট সকলে যাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে, মুখ্য সচিব তা নিশ্চিত করতেও নির্দেশ দেন।