,

মাঠে ফিরেই নিষিদ্ধ নেইমার

news-image

স্পোর্টস ডেস্ক : দীর্ঘ ইনজুরির ধকল কাটিয়ে মাঠে ফিরলেন আগের সপ্তাহেই। কিন্তু মাঠে ফিরতে না ফিরতেই শুনতে হলো বড় দুঃসংবাদ। তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হতে হলো ব্রাজিলিয়ান এই সুপার স্টারকে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আগামী মৌসুমের শুরুতেই তিন ম্যাচ মাঠের বাইরে বসে থাকতে হবে তাকে।

মাঠের বাইরে বসে থেকেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে রেফারি নিয়ে বাজে মন্তব্য করার জের ধরে ইউরোপিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা উয়েফা তাকে তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

গত ৬ মার্চ চলতি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে নিজেদের মাঠে ম্যানইউর কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নিতে হয় নেইমারের ক্লাব পিএসজিকে। ওই ম্যাচেই রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নেইমার এবং প্রকাশ্যে বাজে মন্তব্য করেন। সে কারণেই উয়েফা এমন শাস্তি দিল তাকে।

চোটের কারণে ম্যানইউর বিপক্ষে ওই ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি নেইমার। ভিআইপি বক্সে বসেই দলের হার দেখতে হয়েছে তাকে। প্রথম লেগে ম্যানইউর মাঠ থেকে ২-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে ফিরে এলেও দ্বিতীয় লেগে নিজেদের মাঠে ম্যানইউর কাছে ৩-১ ব্যবধানে হেরে যায়। অ্যাওয়ে গোলে এগিয়ে থাকার সুবাধে পরের রাউন্ডে উঠে যায় ম্যানইউ।

ম্যাচের ইনজুরি সময় ড্যালটের শট পেনাল্টি বক্সে কিমপেম্বের হাতে লাগতেই সমীকরণ বদলে যায় ম্যাচের। ম্যানইউর আবেদনে সাড়া দিয়ে ভিএআরের সাহায্যে রেড ডেভিলসদের পেনাল্টি উপহার দেন রেফারি। স্পট-কিক থেকে স্কোরলাইন ৩-১ করে দলকে শেষ আটে পৌঁছে দেন মার্কাস রাশফোর্ড।

ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে ম্যানইউর পেনাল্টিকে কেন্দ্র করেই বিতর্ক দানা বেঁধে ওঠে। নেইমারের মতে, ইনজুরি সময়ের ওই ঘটনায় কোনোভাবেই পেনাল্টি প্রাপ্য ছিল না ম্যানইউর। ম্যাচ শেষের কিছুক্ষণের মধ্যেই এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। রেফারিকে তিরস্কার করে ইনস্টাগ্রামে নেইমার লেখেন, ‘এটা অন্যায়। উয়েফা চারজন এমন অফিসিয়ালদের ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে, যাদের ফুটবল কিংবা ভিএআর সম্পর্কে ধারণাই নেই। হাতের পিছনে বল এসে লাগলে কোন নিয়মে সেটা হ্যান্ডবল হয়?’।

শুধু তাই নয়, এরপর অফিসিয়ালদের উদ্দেশ্য করে অশ্লীল শব্দও প্রয়োগ করেন পিএসজি তারকা। হতাশায় আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে হাত-পা ছুঁড়ে অভিব্যক্তিও প্রকাশ করতে দেখা যায় নেইমারকে। এ ঘটনায় স্বভাবতই নড়েচড়ে বসে ইউরোপিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ম্যাচ অফিসিয়ালদের তিরস্কার ও কাঠগড়ায় তোলার কারণে প্রাথমিকভাবে নেইমারকে অভিযুক্ত করে উয়েফা।

এরপর ঘটনার তদন্তে নেমে নেইমারের কৃতকর্মের কারণে নিয়োগ করা হয় একজন ইনভেস্টিগেট ইন্সপেক্টর। তার তদন্তের ভিত্তিতেই প্রাথমিকভাবে ব্রাজিলিয়ান তারকাকে অভিযুক্ত করে উয়েফা। ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে অবশেষে তাকে ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলোর সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফুটবলে তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ করলো।

এ জাতীয় আরও খবর

জিন্নাহর ভূমিকা অস্বীকারের সুযোগ নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শাহজালালের ৩য় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস

রাজশাহীতে পদ্মায় হঠাৎ উঁচু ঢেউ, দেবে গেছে ৭৫ মিটার বাঁধ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রেস সচিব

৯৯ বিচারককে একযোগে বদলি

ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত আমিরের

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর