শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১০ বছর আজ

news-image

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১০ বছর আজ। ২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নিশংসভাবে হত্যা করে একদল বিপথগামী জওয়ান। এঘটনায় বদলে যায় বাহিনীর নাম, পোশাকের রং। তবে যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে তা কোনোদিনই পূরণ হবার নয়।
সেদিনের ঘটনার নৃশংসতা স্পষ্ট করে তোলে এই ছবি। অস্ত্র হাতে বিপথগামী জওয়ানদের মহড়া। বন্ধ পিলখানার সব গেট। বাইরে থেকে পাওয়া যাচ্ছিল গুলির শব্দ। তখনও কারো ধারণাই ছিল না ভেতর চলছে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ।

সেদিন জওয়ানদের সঙ্গে আলোচনা করতে যারা পিলখানায় ঢুকেছিলেন তাদেরই একজন সাবেক পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। তারই স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি।
সে হত্যাযজ্ঞ আর বীভৎসতায় বিমূঢ় হয়ে পড়েছিল গোটা দেশ। সে ঘটনায় বাংলাদেশ রাইফেলস, বিডিআরের নাম পাল্টে রাখা হয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বিজিবি। বদলে যায় পোশাকের রং। তবে এতো কিছুর পরও সেই কলঙ্কময় অধ্যায় ভুলতে পারেনি জাতি।

বিশ্লেষকরা বলেছেন, এ ষড়যন্ত্রে সরকার পতনে ব্যর্থ হয়ে তা ভিন্ন খাতে প্রবাহিতের চেষ্টাও করেছিল একটি চক্র।২০০৯ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ছয়টায় নিয়ন্ত্রণে আসে পিলখানা। তবে এর মধ্যে ৩৩ ঘণ্টায় বাংলাদেশের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যায় তা পূরণ হওয়ার নয় কোনদিনও।

independent24.com