,

অবৈধ সম্পর্ক বন্ধ এবং কুমারীত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতে সিয়েরা লিওনে মেয়েদের খতনা

news-image

ডেস্ক রিপোর্ট : মেয়েদের খতনা। এমটি শুনে নিশ্চয়ই অনেকে বেশ অবাক হচ্ছেন! কিন্তু অবাক হলেও এটি এখনো চালু আছে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে। যাকে বলা হয় ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন (মেয়েদের খৎনা)। আর সংক্ষেপে বলা হয় ‘এফজিএম’। মূলত অবৈধ সম্পর্ক বন্ধ এবং কুমারীত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতে মেয়েদের খতনা করার ছল।

যন্ত্রণাদায়ক এ প্রথা অনেক আফ্রিকান দেশেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে কিন্তু এখনো চালু আছে সিয়েরা লিওনে। শুধু তাই নয়, খতনা করা হয়েছে এমন জীবিত নারীর সংখ্যা ২০ কোটির বেশি।

সিয়েরা লিওনের মেয়েদের খতনা করিয়ে থাকেন এমন এক নারী হাজাম মেমিনাতু তুর। বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বললেন, ‘সিয়েরা লিওনের অধিকাংশ মেয়েরই এফজিএম হয়েছে। কারণ যে মেয়ের খৎনা করানো হয়নি, সে এক পুরুষে সন্তুষ্ট থাকতে পারে না! আর যাদের এটা করানো হয়েছে তারা যৌনজীবনে সন্তুষ্ট থাকে, একটি মাত্র পুরুষের সঙ্গেই সারাজীবন কাটায়।’

যদিও খতনা একটা নিন্দিত বা যন্ত্রণাদায়ক প্রথা। এতে মেয়েদের মৃত্যুও হয়ে থাকে। তবে এসব মানতে নারাজ ৫৬ বছর বয়সী মেমিনাতু। তার বক্তব্য, এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। এটা মেয়েদের জন্য ভালো।মেমিনাতু মেয়েদের খতনার পক্ষে বললেও এটা করানো হয়েছে এমন মেয়েরা এর বিপক্ষে। অনেকেই পরবর্তী জীবনে তাদের যন্ত্রণা ও কষ্টের কথা বলেছেন।

এসব অবিযোগ অস্বীকার করে ফ্রিটাউনের বস্তিতে তার ঘরে ঝোলানো নিজের মেয়ের ছবি দেখিয়ে মেমিনাতু বললেন, ‘আমার মেয়ের এ অপারেশন করানো হয়েছে। কিন্তু সে তো ভালো আছে, কলেজে পড়ছে। আমরা মেয়েদের ব্যথা দিই না, এটি একটি মহান এবং প্রাচীন ঐতিহ্য।’ প্রতি খতনা থেকে মেমিনাতুরা পান প্রায় ১৫ হাজার টাকার মতো (১৮০ ডলার)

সিয়েরা লিওনের নারী হাজাম মেমিনাতু, আফ্রিকান অন্য দেশগুলোর মতো সিয়েরা লিওন সরকারও যদি এ প্রথা নিষিদ্ধ করে তাহলে কী করবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন, ‘যদি এদেশের সরকার এ প্রথা নিষিদ্ধ করে, তাহলে আমরা প্রেসিডেন্টের অফিসে জোর করে ঢুকে পড়ে এর প্রতিবাদ করবো।’

পরক্ষণেই একটা দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে আবার বললেন, ‘তারপর যদি বন্ধ করে দেয়, তাহলে সরকারকে আমাদের করার মতো একটা কাজ দিতে হবে।’

মেয়েদের খতনার মাধ্যমে মূলত ক্লাইটোরিসের একটি অংশ কেটে ফেলে দেয়া হয়। ওই ক্লাইটোরিস কাটার ফলে কমে যায় তার যৌন চাহিদা। ধর্মীয় দোহাই দিয়ে এটি করা হলেও ইসলাম এ কাজকে উৎসাহিত করেনি। খতনা করার কারণে মদিনার এক নারীকে হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘নিজেকে কষ্ট দিও না। কারণ খতনা পুরুষের জন্য সন্তুষ্টিদায়ক, কিন্তু নারীর জন্য বেদনাদায়ক।’

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর