,

পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল

news-image

ডেস্ক রিপোর্ট : ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যসহ আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

ওই সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগীদের নিয়ে ওই হত্যা পরিকল্পনা বানচাল করে দেয়। পরিকল্পনাটি করেছিল পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। ওই নির্বাচনের বিজয়ী হয়ে শেখ হাসিনা টানা তিনবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

ওই সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, আইএসআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল নাভিদ মোক্তার ওই হত্যা পরিকল্পনার প্রধানের ভূমিকা পালন করেন। জেনারেল নাভিদ ছাড়াও আইএসআইয়ের বেশকিছু এজেন্ট ওই হত্যা পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের কিছু সদস্য এ পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন।

এতে বলা হয়, পাকিস্তান সমর্থিত মৌলবাদী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হত্যা পরিকল্পনায় ছিল কিনা তা নিশ্চিত করা যায়নি।

এক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গ্রিসের পতাকাবাহী একটি জাহাজে করে একে-৪৭, কারবিন বন্দুক ও গ্রেনেড নিয়ে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের বন্দরে প্রবেশের পরিকল্পনা করা হয়। তবে ওই জাহাজটি মাঝপথে ডুবে যায়।

এতে বলা হয়, ২০০৪ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন দল ক্ষমতায় থাকাকালীন যেভাবে ১০ ট্রাক অবৈধ অস্ত্র দেশে নিয়ে আসে, একইভাবে এসব অস্ত্র আনার ব্যবস্থা করা হয়।

প্রতিবেদনটিতে অন্য আরেকটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করার মাধ্যমে একটা অরাজক পরিস্থিতি তৈরির পরিকল্পনা করেছিল ষড়যন্ত্রকারীরা।

এতে বলা হয়, জাহাজ থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে রাজধানী ঢাকায় বোমা বিস্ফোরণেরও পরিকল্পনাও ছিল তাদের।

লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তান দূতাবাস ওই হত্যা পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিল।

এতে আরকটি সূত্রের বরাত দিয়ে আরও বলা হয়েছে, এতে স্থানীয় কিছু বিএনপি নেতা এ ষড়যন্ত্রের বিষয়ে জানত না।

এতে বলা হয় তারেক রহমান থেকে দাউদ ইব্রাহিম এবং উলফা নেতা পরেশ বড়ুয়া (বর্তমানে চীনে রয়েছে) ২০০৪ সালের অস্ত্র চোরাচালান মামলায় তাদের অভিযুক্ত করা হয়। শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলা করা হয়েছিল এবং এতে দলের কিছু জ্যেষ্ঠ নেতা মারা গিয়েছিল ও অন্যরা আহত হয়েছিল।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তান সমর্থিত বিএনপি ও মৌলবাদী দল জামায়াতে ইসলামীকে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে নানাভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। আর এসব পরিকল্পনার মূলহোতা হলেন তারেক রহমান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আইএসআই ষড়যন্ত্রের মূল চাবিকাঠি ছিল। আইএসআইয়ের দুবাইভিত্তিক এজেন্ট ও তারেক রহমানের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর করা হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর