শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরফরাজের নিষেধাজ্ঞায় তীব্র ক্ষোভ পাকিস্তানের

news-image

স্পোর্টস ডেস্ক : ৮ উইকেটের বড় জয় নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ২-২ সমতায় ফিরেছে পাকিস্তান। আজকের বড় জয়ের পরও কি স্বস্তিতে আছে পাকিস্তান দল? বোধ হয় না। কারণ ম্যাচের আগেই চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় ছিটকে গেছে তাদের নিয়মিত অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। বারবার ক্ষমা চাওয়ার পরও সরফরাজের নিষেধাজ্ঞার খবরটাও এসেছে বেশ নাটকীয়ভাবে, যা নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।

জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে আজ টসের সময় সরফরাজ আহমেদ ছিলেন না। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসির সঙ্গে পাকিস্তান অধিনায়ক হিসেবে টস করেছেন শোয়েব মালিক। সরফরাজ কেন একাদশে নেই? এ নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বা আইসিসি তখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মালিক ইঙ্গিতে জানিয়ে দিলেন সরফরাজের না থাকার কারণটি। আর দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি জানিয়েছিলেন, ‘আমরা জেনেছি ও চার ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছে।’

সরফরাজ একাদশে নেই, এই তথ্য জানার আধঘণ্টা পর অবশ্য আইসিসি বিবৃতি দেয়। সিরিজের চতুর্থ ও পঞ্চম ওয়ানডের পাশাপাশি পরবর্তী টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচেও খেলতে পারবেন না সরফরাজ। অথচ বর্ণবাদী আচরণ করে শাস্তির হাত থেকে বাঁচার জন্য সব চেষ্টাই করেছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক। দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার আন্দিলে ফিকোয়াওর উদ্দেশে বর্ণবাদী মন্তব্য করার পর ফিকোয়াও ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে টুইটারে দুঃখ প্রকাশ করেন সরফরাজ। এরপর ফিকোয়াওর কাছেও ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছিলেন। প্রোটিয়া অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি দলের পক্ষ থেকে ক্ষমা করছেন বলেও জানিয়েছেন। এর পরও আইসিসির নিষেধাজ্ঞা জারি করায় চটেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। কয়েক ঘণ্টা পেরোতেই জানিয়েছে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া।

এক বিবৃতিতে বোর্ড জানিয়েছে, ‘সরফরাজকে নিয়ে দেওয়া আইসিসির এই সিদ্ধান্তে গভীর হতাশা প্রকাশ করছে পিসিবি। কারণ, পিসিবি আশা করেছিল, সরফরাজ আহমেদ ক্ষমা চাওয়ার পর বিষয়টা দুই খেলোয়াড় এবং দুই বোর্ডের মধ্যেই মীমাংসা হয়ে যাবে, যেটা ইতিমধ্যেই খেলোয়াড়েরা পারস্পরিক গ্রহণ করে নিয়েছে। এমনকি দুই বোর্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেট দলও বিষয়টা মেনে নিয়েছে।’