,

জাপায় এরশাদের পরই হাওলাদারের অবস্থান!

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : মহাসচিব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারকে বিশেষ সহকারী পদে নিয়োগ দিয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

এই পদে নিয়োগ লাভের পর হাওলাদার দলের চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে তাঁর সার্বিক সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর পদমর্যাদা হবে জাপার চেয়ারম্যান এরশাদের পরেই, অর্থাৎ দ্বিতীয় স্থানে।

আজ শনিবার রাতে জাপার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়েছে।

জাপার সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও চেয়ারম্যানের গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক সচিব সুনীল শুভ রায়ের সই করা এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/১/ক ধারা মোতাবেক এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এর আগে এরশাদ ও হাওলাদার, দুজনের বিরুদ্ধেই মনোনয়ন নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ তোলেন দলের নেতাদের অনেকে। কেউ কেউ দল থেকে পদত্যাগও করেন। ভাঙচুর করা হয় এরশাদের বনানী কার্যালয়।

এরপর গত ৩ ডিসেম্বর রুহুল আমিন হাওলাদারকে মহাসচিব পদ থেকে সরিয়ে দেন এরশাদ। ওই দিনই মহাসচিব পদে নিয়োগ দেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গাকে। মহাসচিবের দায়িত্ব নেওয়ার পর মসিউর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, মনোনয়ন–বাণিজ্যের সঙ্গে কারও জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে । প্রয়োজনে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হবে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন নিয়ে দর-কষাকষির মধ্যেই এরশাদ একাধিকবার অসুস্থ হয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) যান। তাঁর অসুস্থতা নিয়েও দলের ভেতরে-বাইরে নানা কথা আছে। এখনো ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি ঝুলে আছে। এরই মধ্যে মহাসচিব বদল, পাঁচ দিনের মাথায় আবার হাওলাদারকে এরশাদের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে দলের পদমর্যাদায় দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা করার ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে পটুয়াখালী-১ আসনে রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। ওই আদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলেও রুহুল আমিনের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা শুরু হলেও জাতীয় পার্টি এখনো চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করেনি। আজ শনিবার রাতে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করেছে দলটি।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে মহাজোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছিলেন এরশাদ। তাঁরা দাখিল করেন মনোনয়নপত্র। পরে হঠাৎ আবার নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্দেশও দেন দলীয় প্রার্থীদের। একপর্যায়ে সিএমএইচে ভর্তি করা হয় এরশাদকে। তিনি সেখানেই ছিলেন ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। সেই নির্বাচনে এরশাদ নিজেসহ তাঁর দলের ৩৩ জন নেতা সাংসদ নির্বাচিত হন। তাঁর দল প্রধান বিরোধীদল হিসেবে সংসদে যায়। তিনি নিজেও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ পান।

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর