,

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে বিকল্পধারা কেন নেই, জানালেন ফখরুল

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর দল বিকল্পধারাকে বাইরে রেখেই গতকাল শনিবার ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন এই জোটে বিকল্পধারাকে বাদ দেওয়া হয়েছে, নাকি তারা নিজের থেকেই আসেনি—সে বিষয়ে কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ রোববার বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মির্জা ফখরুল বলেন, জোট গড়ার বৈঠকগুলোতে ‘কিছু বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করে সমস্যা তৈরি করছিল’ বিকল্পধারা। তবে এখানে কোনো ষড়যন্ত্র নেই, নিজেদের সিদ্ধান্তেই তারা জোটে আসেনি।

বিএনপি, গণফোরাম, নাগরিক ঐক্য ও জেএসডি’কে নিয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গতকালই ৭টি দাবি ও ১১টি লক্ষ্য ঘোষণা করেছে। এসব বিষয়টি সামনে রেখে এই জোটের নেতারা আগামীতে নানা কর্মসূচি দেওয়ারও কথা জানান।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর বিকল্পধারার নেতারা সংবাদ সম্মেলনে দাবি করে, জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির সংশ্লিষ্টতা নিয়ে তারা নানা রকম শর্ত দিচ্ছিলেন বলেই ষড়যন্ত্র করে তাদের বাইরে রাখা হয়েছে। তবে এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, এটা একেবারেই অমূলক।

ফখরুল বলেন, ‘এর পেছনে কোনো যুক্তি বা সত্যতা নেই। তারাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে তারা আসবেন না। আগের দিনও তাদের সাথে কথা হয়েছে, তাদের দাবি বা বক্তব্য আমাদের লক্ষ্যগুলোর মধ্যে চলে এসেছে। তারা সবাই একমত ছিলেন। সেখানে কেন তারা নতুন ষড়যন্ত্র দেখতে পাচ্ছেন আমি জানি না।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমরা প্রথম থেকেই লক্ষ্য করেছিলাম যে কতগুলো বিষয়ে অযথা চাপ তৈরি করে একটা সমস্যা তৈরি করা হয়েছে। যাই হোক, আমরা এ বিষয়ে বেশি কথা বলতে চাই না। আমরা আশা করি, তারা ঐক্যে ফিরে আসবেন।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তারা আসলে আমরা আরও বেশি উপকৃত হতাম, আমাদের ঐক্য এবং গণতন্ত্রের আন্দোলন আরও জোরদার হতো। আমরা আশা করি যে তারা এ লক্ষ্যের সাথে জড়িত হবেন।’

গতকাল দুপুর থেকে রাজধানীর মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে দফায় দফায় বৈঠকে ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ এর রূপরেখা চূড়ান্ত হয়। সেখানে ৭ দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য স্থির হয়। সেগুলো সংবাদ সম্মেলনে পড়ে শোনান মাহমুদুর রহমান মান্না।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে বি. চৌধুরীকে যে রাখা হচ্ছে না সেটা স্পষ্ট হয়েছিল আগেই। গতকাল সাড়ে ৩টার দিকে ড. কামাল হোসেনের আমন্ত্রণে তার বাসায় গিয়েছিলেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও তার ছেলে মাহি বি. চৌধুরী। ড. কামাল হোসেন তখন বাসায় ছিলেন না। দুপুর থেকেই তিনি নিজের চেম্বারে দফায় দফায় বৈঠক করছিলেন বিএনপি, নাগরিক ঐক্য ও জেএসডি’র নেতাদের সঙ্গে।

এ জাতীয় আরও খবর

জিন্নাহর ভূমিকা অস্বীকারের সুযোগ নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শাহজালালের ৩য় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস

রাজশাহীতে পদ্মায় হঠাৎ উঁচু ঢেউ, দেবে গেছে ৭৫ মিটার বাঁধ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রেস সচিব

৯৯ বিচারককে একযোগে বদলি

ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত আমিরের

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর