,

সেই বাসচালকের আত্মসমর্পণ

news-image

নাটোরের লালপুরে বাস-লেগুনা সংঘর্ষে ১৫ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় বাসচালক মো. শামীম হোসেন আত্মসমর্পণ করেছেন। মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) বগুড়া জেলা মোটরশ্রমিক সমিতির কার্যালয়ে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। পরে শ্রমিক নেতারা তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

এর আগে গত রোববার এ মামলায় বাসচালকের সহকারী আবদুস সামাদ কমলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বগুড়া শহরের পলাশবাড়ি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা পুলিশ। ওই বাসের মালিক মঞ্জু সরকারকে বগুড়া সদর পুলিশ ফাঁড়িতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়।

গত শনিবার (২৫ আগস্ট) বিকেল চারটার দিকে রাজশাহীগামী চ্যালেঞ্জার পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারালে বিপরীত দিক থেকে আসা লেগুনার সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় লেগুনার ১০ যাত্রী। পরে চিকিৎসাধীন এবং উদ্ধাররত অবস্থায় আরও পাঁচজন নিহত হয়।

লেগুনার বেঁচে যাওয়া একমাত্র যাত্রী নুরসেদ সর্দার (৭২) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বলেছিলেন, লেগুনাটি বড়াইগ্রামের বনপাড়া বাইপাসের লেগুনা স্ট্যান্ড থেকে ছেড়ে ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া যাচ্ছিল। লেগুনাটি ছাড়ার পর থেকেই চালক এলোমেলো চালাচ্ছিলেন। চালক মোবাইলে কথা বলছিলেন। হঠাৎ বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে মুহূর্তে সবকিছু তছনছ হয়ে যায়। দুর্ঘটনায় তিনি স্ত্রী লজেলাকে হারিয়েছেন।

বনপাড়া হাইওয়ে থানা পুলিশ ও নাটোর ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায়।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসূন নূর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছিলেন, লেগুনাটির নিবন্ধন ও ফিটনেস ছিল না বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আর দুর্ঘটনাবকলিত বাসটি এ সড়কে নিয়মিত চলাচল করে। বাসটির চালক পলাতক।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রাজ্জাকুল ইসলাম ও হারুনর রশিদসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিলেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ২০ হাজার ও আহতদেরকে ১০ হাজার টাকা করে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।

ঘটনার পরের দিন সকালে এ ঘটনায় লালপুর থানায় সাতজনকে আসামি করে মামলা হয়। বনপাড়া হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইউছুব আলী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় বনপাড়া লেগুনা স্ট্যান্ডের সভাপতি জাবেদ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, লেগুনার চালক, চালকের সহকারী, চ্যালেঞ্জার বাসের মালিক, বাসের চালক ও চালকের সহকারীকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্য লেগুনার চালক ও তাঁর সহকারী দুজনই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। আর চ্যালেঞ্জার বাসের মালিক, চালক ও চালকের সহকারীকে অজ্ঞাত দেখানো হয়।

এ বিষয়ে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সামছুদ্দিন শেখ হেলাল বলেন, ‘মঙ্গলবার দুপুরে শামীম আমার কাছে (কার্যালয়) আত্মসমর্পণ করেছে। পরে আমি তাকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছি।’ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর-এ-আলম সিদ্দিকী জানান, শামীম হোসেনকে নাটোর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর