,

কমছে এনজিও নিবন্ধন

news-image

দেশে অনেক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) তহবিল সঙ্কটে রয়েছে। তাদের কোনো কাজ নেই। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান খুুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। এজন্য কমে যাচ্ছে এনজিও নিবন্ধন।

এনজিও প্রতিনিধিরা জানান, পৃথিবীতে যুদ্ধ ও মানবিক বিপর্যয় কবলিত দেশের সংখ্যা বেড়ে গেছে। তাছাড়া বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ায় বাংলাদেশে অর্থায়নে দাতা সংগঠনগুলোর অনীহা। আবার অনেক এনজিও বিদেশী তহবিলে জঙ্গি কর্মকান্ড পরিচালনা করায় বিদেশী তহবিলে ভাটা পড়েছে। প্রবাসী ও দেশের বড় পুঁজির মালিকরা নিজেরাই বিভিন্ন সামাজকি সংগঠন তৈরী করে সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এদিকে দেশে এনজিও ব্যুরো,সমাজ সেবা অধিদপ্তর, জয়েন্ট স্টক কোম্পানীর‌্য ন্যায় প্রতিষ্ঠানগুলোর এনজিও কার্যক্রম পরিচলানা ও নিবন্ধনে সহযোগিতা সন্তোষজনক নয়। তাই এনজিও নিবন্ধন ও পবিচলনায় অনেকে উৎসাহ পাচ্ছে না।

এনজিও ব্যুরোর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০১০-১১ অর্থবছরের পর থেকে এনজিও নিবন্ধনের সংখ্যা কমে গেছে। ২০০৫-৬ অর্থবছর থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবছর পর্যন্ত ১৩ বছরে এনজিও নিবন্ধন পেয়েছে ১ হাজার ১১৯ টি। এর মধ্যে স্থানীয় এনজিও রয়েছে ১ হাজার ৫ টি আর বিদেশী এনজিওর সংখ্যা ১১৪ টি। এসব এনজিও মধ্যে ২০০৫-৬ থেকে ২০০৯-১০ অর্থবছর পর্যন্ত ৫ বছরে নিবন্ধন পেয়েছে ৫৪৮ টি। এ সময় গড়ে প্রতি বছর ১০৯ দশমিক ৬ টি করে এনজিও নিবন্ধন হয়। আবার ২০১০-১১ থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবছর পর্যন্ত ৭ বছরে নিবন্ধিত এনজিওর সংখ্যা ৫৭১ টি। এ সময় গড়ে প্রতি বছর ৭১ দশমিক ৩৭ টি করে এনজিও নিবন্ধন পেয়েছে। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায় গত ৭ বছরে এনজিও নিবন্ধন কমছে।

সবুজ বাংলা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক কামাল হোসেন বলেন, এনজিও নিবন্ধন কমছে। নিবন্ধনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর যথাযথ সহযোগিতার অভাব,দেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ায় অর্থায়নে বিদেশীদের অনীহার কারণে সংশ্লিষ্টরা এনজিও নিবন্ধনে উৎসাহ পাচ্ছে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড.সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, বিদেশীদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে গেছে। তাদের মনযোগ এখন পৃথিবীর অনেক বিপর্যয় কবলিত দেশের প্রতি। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় তহবিল আসে ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচি পরিচালনায় তহবিল কম। ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনায় মাইক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির নিবন্ধনও সহজ নয়। এসব কারণেই এনজিও নিবন্ধন উৎসাহে ভাটা।

নারী উন্নয়ন শক্তির নির্বাহী পরিচালক আফরোজা পারভিন বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। এ কারণে বিদেশী তহবিল কমে গেছে। তাছাড়া প্রবাসী ও দেশীয় বড় পুঁজির মালিকরা নিজেরাই নিজেরাই সমাজ কল্যাণমূলক সংগঠন গড়ে তুলে সামাজিক কার্যক্রম গড়ে তোলে। এ কারণেও এনজিওগুলোর তহবিল প্রাপ্তি কমে গেছে।

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর