,

কার ওপর কুরবানি ওয়াজিব, না দিলে কী শাস্তি?

news-image

১০ জিলহজ তথা ঈদের দিন সুবহে সাদিক থেকে ১২ জিলহজ সন্ধ্যা পর্যন্ত এই সময়ের মধ্যে যার কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে তার ওপর কুরবানি ওয়াজিব।

নিসাব হলো, সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপা বা এর মূল্য পরিমাণ টাকা বা প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ (জায়গা-জমি, ঘর-বাড়ি ছাড়া)।

বর্তমানে সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপা বা এর মূল্য পরিমাণ টাকা বা প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদই নিসাব হিসেবে ধর্তব্য।

যে ব্যক্তি মনে করে, ঈদুল আযহার দিনগুলোতে তার কাছে কুরবানি ওয়াজিব হয় এ পরিমাণ সম্পদ থাকতে পারে সে ব্যক্তি আগ থেকেই কুরবানির পশু কিনে রাখতে পারে। তবে পশু কিনে রাখলে ওই পশুই কুরবানি করতে হবে এমন বধ্য বাধকতা নেই। কুরবানির দিনগুলোতে যে কোনো একটি পশু কুরবানি দিলেই ওয়াজিব আদায় হয়ে যায়।

পক্ষান্তরে কোনো ব্যক্তি যদি কুরবানির দিনগুলোতে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক না হয়ে থাকে তাহলে তার ওপর কুরবানি ওয়াজিব হবে না। এমতাবস্থায় যদি সে ব্যক্তিও কোনোভাবে কুরবানি দেওয়ার জন্য পশু কিনে থাকে বা কোনো পশু কুরবানির জন্য নির্দিষ্ট করে থাকে তাহলে অবশ্যই ওই পশুটিই কুরবানি দিতে হবে।

যার ওপর কুরবানি ওয়াজিব সে ব্যক্তি কুরবানি দিলে অবশ্যই অনেক সাওয়াবের অধিকারী হবে।

যেমন হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কুরবানি দেয় সে কুরবানিকৃত পশুর গায়ের পশম পরিমাণ সাওয়াব পাবে। এ ছাড়াও কুরবানি দেওয়ার আরও অনেক ফজিলত বর্ণিত হয়েছে অসংখ্য হাদিসে।

কুরবানি না দিলে তার কঠোরতার কথাও বলা হয়েছে অনেক হাদিসে। যেমন হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, যে ব্যক্তি সামর্থ থাকা সত্বেও কুরবানি করল না সে যেন ঈদগাহে না আসে।

কুরবানি তরককারী অবশ্যই ওয়াজিব তরকের গুনাহগার হবে। অন্য দিকে যার ওপর কুরবানি ওয়াজিব নয় সে ব্যক্তি যদি কোনোভাবে কুরবানির ব্যবস্থা করে তাহলে সে নফল ইবাদত হিসেবে অবশ্যই বিশাল সাওয়াবের অধিকারী হবেন।

হাদিসে কুদসিতে ইরশাদ হয়েছে, বান্দার যত বেশি নফল ইবাদত করতে থাকে আমি তত বেশি তাকে ভালোবাসতে থাকি। ভালোবাসতে বাসতে এক সময় আমি তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে, আমি তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শুনে, আমি তার হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে ধরে, আমি তার পা হয়ে যাই যা দিয়ে সে চলে।

১০ জিলহজ সকাল বেলা শহরের প্রথম ঈদের জামাতের পর থেকে ১২ জিলহজ মাগরিব পর্যন্ত তিন দিনই কুরবানি করা যায়, তবে প্রথম দিন কুরবানি দেওয়াই বেশি উত্তম।

দ্বিতীয় দিন তৃতীয় দিনের চেয়ে উত্তম। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকলে রাতের বেলায়ও কুরবানি করতে কোনো অসুবিধা নেই।

মুফতি তাজুল ইসলাম জালালী
খতিব, বায়তুল আমিন জামে মসজিদ বাড্ডা, ঢাকা
উৎস : আওয়ার ইসলাম।

এ জাতীয় আরও খবর

জিন্নাহর ভূমিকা অস্বীকারের সুযোগ নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শাহজালালের ৩য় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস

রাজশাহীতে পদ্মায় হঠাৎ উঁচু ঢেউ, দেবে গেছে ৭৫ মিটার বাঁধ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রেস সচিব

৯৯ বিচারককে একযোগে বদলি

ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত আমিরের

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর