,

সৌদি রাজার পিছটান ‘শতাব্দির সেরা চুক্তি’র পরিকল্পনা থেকে!

news-image

নিউজ ডেস্ক।। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিন সংকট সমাধানের জন্য ‘শতাব্দির সেরা চুক্তি’ নামের যে কথিত শান্তি প্রস্তাব তুলে ধরেছেন তার প্রতি সমর্থন দেয়া থেকে সৌদি আরব পিছিয়ে এসেছে বলে কোনো কোনো খবরে দাবি করা হয়েছে।

সৌদি রাজা সালমান ফিলিস্তিন স্বশাসন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তাকে এ নিশ্চয়তা দিয়েছেন যে, রিয়াদ আমেরিকার উত্থাপিত ‘শতাব্দির সেরা চুক্তি’ শান্তি প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানাবে না। এমন সময় সৌদি রাজা এ ঘোষণা দিলেন যখন বলা হচ্ছে ‘শতাব্দির সেরা চুক্তি’ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং ট্রাম্প প্রশাসনও এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সৌদি আরবের ওপর অনেকখানি নির্ভরশীল। এ অবস্থায় হঠাত করে সৌদি আরব কেন ‘শতাব্দির সেরা চুক্তি’ নামক শান্তি প্রস্তাব বা পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন দেয়া থেকে সরে দাঁড়ালো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সৌদি আরবের হঠাত পিছ টান কৌশলগত কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

মোহাম্মদ বিন সালমান ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে সৌদি যুবরাজের পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে তিনি ফিলিস্তিন সংকটকে এড়িয়ে চলার নীতি গ্রহণ করেন। তার মতে ফিলিস্তিন সংকট তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়। সৌদি যুবরাজ গত মার্চে ওয়াশিংটন সফরে গিয়ে শুধু যে দখলদার ইসরাইলকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেন তাই নয় একই সঙ্গে ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংকটের জন্য সরাসরি ফিলিস্তিনিদেরকে দায়ী করেন। এমনকি ফিলিস্তিনিরা স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দাবিতে বিক্ষোভ করলেও এবং আমেরিকা তেলআবিব থেকে বায়তুল মোকাদ্দাসে দূতাবাস স্থানান্তর করলেও সৌদি সরকার সে ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি বা টু শব্দটিও করেনি। বলা হচ্ছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতেই রিয়াদ নীরব রয়েছে। ফিলিস্তিন ইস্যুতে সৌদি আরব এমন সময় বিশ্বাসঘাতকতা করে চলেছে যখন ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন দেয়াকে আরবরা সবচেয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে।

সৌদি আরব ইয়েমেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর একই সময়ে ২০১৫ সাল থেকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় দেশটি ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরবের অবস্থান অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। তবে সৌদি আরবের এ কলঙ্কের দায় দেশটির রাজা সালমানকেই নিতে হবে।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তথাকথিত ‘শতাব্দির সেরা চুক্তি’ শান্তি প্রস্তাবের প্রতি সৌদি আরবের হঠাত সমর্থন না দেয়ার ঘোষণা আসলে লোক দেখানো মাত্র। কারণ এ ব্যাপারে সৌদি-মার্কিন ঐক্য ও পরস্পরকে সহযোগিতার কথা সবারই জানা আছে। সৌদি রাজা সালমান ২০১৫ সালে ক্ষমতায় আসার পর নিজ পুত্র মোহাম্মদ বিন সালমানকে যুবরাজের পদে অধিষ্ঠিত করেন যাতে এর পর তিনিই রাজা হতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন আমেরিকার সাহায্য ও সমর্থনের।

সৌদি যুবরাজ আমেরিকার অন্ধ অনুসরণ করছে। এ অবস্থায় দেশটির রাজা সালমান ট্রাম্পের ‘শতাব্দির সেরা চুক্তি’ শান্তি প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়ায় রাজা ও যুবরাজের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টির সম্ভাবনার কথা বলছেন অনেকে। অনেকে ধারণা করছেন মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজা সালমান ‘শতাব্দির সেরা চুক্তি’ শান্তি প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন দেয়া থেকে সরে এসেছেন। পার্সটুডে।

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর