,

যেভাবে ফাঁসির প্রস্তুতি নিয়েছিলেন একই পরিবারের ১১ সদস্য

news-image

দিল্লিতে একই পরিবারের ১১ জন সদস্যের ফাঁসিতে ঝুলে মৃত্যুর ঘটনায় নতুন অগ্রগতি দেখা দিয়েছে। একসঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলে মৃত্যুবরণের আগে ওই পরিবারের সদস্যরা কী করছিলেন, তার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে স্থানীয় পুলিশ।

৫ জুলাই, বৃহস্পতিবার এ ফুটেজ প্রকাশ করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি অনলাইন।

১ জুলাই, রবিবার দিল্লিতে একই বাসা থেকে একই পরিবারের ১১ সদস্যের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এদের মধ্যে ১০ জন হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত ছিল। আর পরিবারের প্রধান ৭৭ বছর বয়সী নারায়ণী দেবীর লাশ নিচে পড়েছিল।

নারায়ণী দেবীর মেয়ে সুজাতা নাগপাল ও দিনেশ অন্য এলাকায় থাকায় তারা বেঁচে গেছেন।

পুলিশ এ ঘটনার সঙ্গে তন্ত্র সাধনার যোগসূত্র থাকতে পারে বলে ধারণা করছে। এ জন্য ‘জানেগড়ি বাবা’ নামে এক তান্ত্রিকের খোঁজে অভিযান শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। লাশ উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের ফোনের কললিস্ট যাচাই করে এ তান্ত্রিকের ব্যাপারে জানতে পারে পুলিশ।

রহস্যময়ভাবে এই ঘটনার সাথে ১১ সংখ্যাটি জড়িত। দিল্লির যে বাড়ি থেকে পরিবারের সদস্যদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, সে বাড়িটির পেছনের দেয়ালে মোট ১১টি পাইপ আছে। বাড়ির সদর দরজাটি ১১টি রড দিয়ে তৈরি। ওই বাড়ির জানালার সংখ্যাও ১১। শুধু তাই নয়, ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার করা ১১টি ডায়েরিতে লেখা ছিল এই আত্মহত্যার পরিকল্পনা। তাদের ধারণা ছিল পরিবারে আরও সৌভাগ্য নিয়ে আসবে তাদের ১১ জনের এই আত্মহত্যা।

ওই বাড়ির প্রবেশপথের কাছে থাকা এক সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, ফাঁসির জন্য টুল এবং দড়ি বাড়িতে নিয়ে আসছেন পরিবারের সবচেয়ে কনিষ্ঠ দুই সদস্য, ১২ বছর বয়সী ধ্রুব এবং ১৫ বছর বয়সী শিভাম।

তাদের ডায়েরিতে লেখা পরিকল্পনায় বলা হয়, ঠিক রাত ১০টার দিকে সবাই মিলে খাওয়া-দাওয়া করতে হবে। সবাই মিলে খাওয়ার পর একে অপরকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলেন এবং চোখ ঢেকে দেন। এরপর সবাই মিলে ফাঁসিতে ঝুলে পড়েন।

দিল্লি পুলিশ এই আত্মহত্যার এক টাইমলাইন বা সময়সূচি দাঁড় করাতে সক্ষম হয়। তা নিচে তুলে ধরা হলো।

রাত ১০টা – পরিবারের সর্বজ্যেষ্ঠ পুত্রবধূ টুল নিয়ে আসেন।

রাত সোয়া ১০টা- ধ্রুব এবং শিভাম ফাঁসির দড়ি নিয়ে আসে।

রাত ১০টা ৩৯ মিনিট- ওই পরিবার ২০টি রুটি অর্ডার করেছিল, তার ডেলিভারি আসে।

রাত ১০টা ৫৭ মিনিট- পরিবারের বড় ছেলে ভুবনেশ কুকুর নিয়ে বাইরে হাঁটতে যান।

রাত ১১টা ৪ মিনিট- কুকুর নিয়ে তিনি ফিরে আসেন।

পরদিন (১ জুলাই) সকাল ৫টা ৫৬ মিনিট- দুধওয়ালা দুধের বোতল বাড়ির বাইরে রেখে যায়, কিন্তু তা কেউ নিতে আসে না।

১ জুলাই সকাল ৭টা ১৪ মিনিট- প্রতিবেশীরা বাড়িতে ঢুকে মৃতদেহ দেখতে পায়।

এ জাতীয় আরও খবর

জিন্নাহর ভূমিকা অস্বীকারের সুযোগ নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শাহজালালের ৩য় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস

রাজশাহীতে পদ্মায় হঠাৎ উঁচু ঢেউ, দেবে গেছে ৭৫ মিটার বাঁধ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রেস সচিব

৯৯ বিচারককে একযোগে বদলি

ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত আমিরের

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর