,

সৌদি নারীদের এখনও যে সকল বিষয়ে স্বাধীনতা নেই

news-image

ডেস্ক রিপোর্ট।। সৌদি আরব সরকার যুগান্তকারী এক সিদ্ধান্ত গ্রহনের মাধ্যমে সম্প্রতি দেশটির নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি প্রদান করেছে। ধারণা করা হচ্ছে এ সিদ্ধান্তটির মাধ্যমে দেশটি এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। তবে দেশটিতে নারীদের গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে স্বাধীনতা প্রদান করা হলেও তারা পূর্ণ স্বাধীনতা লাভের থেকে এখনও অনেক দূরে রয়েছে। কারণ বেশ কিছু ক্ষেত্রে সৌদি নারীরা এখনও পরাধীন রয়ে গেছে।

পুরুষ অভিভাবকত্ব : সৌদি নারীদের পূর্ণ স্বাধীনতা লাভের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান একটি অন্তরায় হলো পুরুষ অভিভাবকত্ব। সৌদি আইন অনুযায়ী নারীরা তাদের জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত যেমন : বিবাহ করা অথবা বিবাহ বিচ্ছেদ, পাসপোর্টে’র জন্য আবেদন, পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া ভ্রমনে যাওয়া সহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিজেরা নিতে পারেন না। এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহনে তাদের পুরুষ অভিভাবকদের ওপর নির্ভর করতে হয়।

সৌদি আরবের এ আইনের ফলে নারীরা তাদের ওপর চালানো পারিবারিক নির্যাতনের বিরুদ্ধেও আইনী সংস্থার কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন না। কারণ, সৌদি নারীদের আইনী অভিযোগ দায়ের করতে গেলেও পুরুষ অভিভাবকের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়। তবে সৌদি আরবের বর্তমান বাদশাহ সালমান ক্ষমতায় আসার পর গত বছরের মে’তে এ আইনে কিছুটা শিথিলতা আনেন। এর ফলে সৌদি নারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও চাকুরী গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও নিজ ব্যবসা খুলতে না পারা  : সৌদি আইন অনুযায়ী নারীরা নিজেরা কোনও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা বা কোনও ব্যবসা শুরু করতে পারেন না। এক্ষেত্রে তাদের পুরুষ অভিভাবকের স্বাক্ষর সহ অনুমতি পত্র প্রদর্শণ করতে হয়।

নিজের পছন্দের পোশাক পরতে না পারা : পরিধেয় পোশাক নির্বাচন ও রুপচর্চার ক্ষেত্রে সৌদি নারীদের ওপর কঠোর আইন রয়েছে। তারা চাইলেই তাদের ইচ্ছামত পোশাক পরিধান ও রুপচর্চা করতে পারে না। তাদেরকে ধর্মীয় রীতি-নীতি মেনে পোশাক পরিধান করতে হয়। ২০১৭ সালে দেশটির এক প্রখ্যাত ধর্মীয় নেতা সৌদি নারীদের কারুকাজ ও নকশা করা আবায়া (বোরকা) পরিধান এড়িয়ে সাদামাটা বোরকা পরার আহ্বান জানান।

বিবাহ বিচ্ছেদের পর সন্তানকে নিজের কাছে রাখতে না পারা : সৌদি আইন অনুযায়ী বিবাহ বিচ্ছেদের পর সৌদি নারীরা তাদের সন্তানদের একটি নির্দিষ্ট বয়সে পৌছানো না পর্যন্ত নিজের কাছে রাখতে পারে না। ছেলে শিশুদের ক্ষেত্রে এ বয়স সীমা ৭ বছর ও মেয়ে শিশুদের ক্ষেত্রে এ বয়স সীমা ৯ বছর।

যে কোনও রেস্তোরায় খাবার খেতে না পারা : সৌদি নারীরা চাইলেই যে কোনও রেস্তোরায় খাবার খেতে পারে না। তারা কেবল সে সকল রেস্তোরাতেই খেতে পারে যেগুলোতে পরিবারের সদস্যদের সাথে মিলে খাবার খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। তাছাড়া তাদের চলাচলের ক্ষেত্রে মূল প্রবেশদ্বার ব্যবহার না করে পার্শ্বদ্বার ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়। ইয়ন

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর