,

এবার পাকিস্তান নিজ দেশেই পরমাণু হামলা চালাবে!

news-image

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :পাকিস্তানের সেনাবাহিনী নিজেদের দেশেই পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগ করতে পারে। দেশটির স্বাধীনতাকামী পাশতুন জনগোষ্ঠীর নেতা উমর দাউদ খটক আশঙ্কা প্রকাশ করেন, খাইবার-পাখতুনখোয়ায় পরমাণু হামলা চালাতে পারে পাকিস্তানি সেনারা। দেশটির একটি ইংরেজি দৈনিকে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। ভারত এবং আফগানিস্তানে নাশকতার কাজে লিপ্ত হতে পাশতুনরা অস্বীকার করায়, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাদের প্রতি প্রতিশোধ নিতে শুরু করেছে বলে পাশতুন নেতা জানিয়েছেন।

জানা যায়, পাকিস্তানের তৃতীয় বৃহত্তম জনগোষ্ঠী হলো পাখতুন বা পাশতুন। দেশের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে আফগানিস্তান লাগোয়া খাইবার-পাখতুনখোয়া প্রদেশে এই জনগোষ্ঠীই সংখ্যাগরিষ্ঠ। তারা দীর্ঘ দিন ধরেই পাকিস্তান শাসন থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। পাশতুন অঞ্চল বলতে মূলত যে অংশকে বোঝায়, তার অধিকাংশটাই বর্তমানে আফগানিস্তানের অন্তর্ভুক্ত। পাকিস্তানের খাইবার-পাখতুনখোয়া প্রদেশও ওই পাশতুন অঞ্চলের মধ্যেই পড়ে। কিন্তু পাকিস্তানের মধ্যে থাকায় এই প্রদেশে বসবাসকারী পাশতুনরা ‘স্বজন’দের থেকে বেশ খানিকটা বিচ্ছিন্ন। আফগান ও পাকিস্তান পাশতুনরা চান সীমান্ত গৌণ হয়ে যাক, পাশতুনদের নিজেদের মধ্যে অবাধ আদান-প্রদান চলুক। কিন্তু তা হয়ে ওঠে না। আগে সীমান্তের দু’পাশের পাশতুনদের মধ্যে যেটুকু আদান-প্রদান ছিল, পাকিস্তান-আফগান তিক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ার পর থেকে সেটুকুও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে পাশতুনদের মধ্যে ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাকিস্তান প্রশাসনের হাত থেকে মুক্তির দাবিও ক্রমশ জোরদার হচ্ছে খাইবার-পাখতুনখোয়া প্রদেশে।

এ জাতীয় আরও খবর

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

সংকট-দুর্যোগে প্রবাসে থেকেও জনগণের পাশে ছিলেন তারেক রহমান: রিজভী

কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুন, হতাহতের ঘটনা

ভারতে মন্দিরে যাওয়ার পথে ট্রাকচাপায় নিহত ১৫

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত হচ্ছে ক্যানসার শনাক্তকরণ

সমতা ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বিশ্বে সম্পর্ক জোরদার করতে চায় সরকার

নেত্রকোণায় মুখোশধারীদের গুলিতে যুবক আহত

বাগেরহাটে ভাড়া বাসা থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

অনুমোদন ও অগ্নিনিরাপত্তা ছাড়াই চলছিল টুপটুপ রিসোর্ট

এনবিআরের নিয়োগে ঢাকা বিভাগের ১২ জেলা বাদ দেওয়ার অভিযোগ

আইয়ুব বাচ্চুর যে স্বপ্ন পূরণ হয়নি

বাংলাদেশকে ২০০ রানও করতে দিল না জিম্বাবুয়ে