,

জেনে নিন শক্তিশালি দাম্পত্য সম্পর্কের কয়েকটি লক্ষণ

25394-boroঅনলাইন ডেস্ক : মনোবিজ্ঞানীরা বেশ কয়েকবছর ধরে গবেষণা করে সফল দীর্ঘমেয়াদি দাম্পত্য সম্পর্কের মৌলিক বৈশিষ্ট্যগুলো সম্পর্কে কয়েকটি মৌলিক ধারণা জড়ো করেছেন। তাদের গবেষণার সবচেয়ে বিস্ময়কর পর্যবেক্ষণগুলো এখানে সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো :

১. একসঙ্গে না থাকলেও আপনারা পরস্পরের কথা ভাবেনঃ-
২০০৭ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, কেউ তার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সম্পর্কে যত বেশি ভাবেন ততই তারা পরস্পরের প্রতি আরো বেশি ভালোবাসা অনুভব করেন।
একই গবেষণায় ৪০০ বিবাহিত যুগলের ওপর টানা পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে, কেউ তার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর ব্যাপারে বেশি বেশি ভাবার মানে হলো তাদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি শক্তিশালী ভালোবাসার অনুভূতি ক্রিয়াশীল। বিশেষ করে কোনো দম্পতির পুরুষ সদস্যটির তার সঙ্গিনীর কথা বারবার স্মরণ করার অর্থ হলো স্ত্রীর প্রতি তার গভীর অনুরাগ রয়েছে।

২. পরস্পরের ভালো সংবাদে ইতিবাচকভাবে সাড়া দেনঃ-
কোনো দাম্পত্য সম্পর্ক কতটা শক্তিশালী তার একটি বড় লিটমাস টেস্ট হলো ওই দম্পতির সদস্যরা পরস্পরের ভালো কোনো সংবাদ শুনে কতটা উচ্ছাস প্রকাশ করেন। পরস্পরের ভালো কোনো খবর শুনে উচ্ছাস প্রকাশের মাত্রা থেকেই তাদের দাম্পত্য সম্পর্কে সুখের মাত্রাও নির্ণয় করা সম্ভব।

সাইকোলজি টুডে ব্লগের একটি পোস্টে বলা হয়, একজন স্বামী কর্মস্থলে তার স্ত্রীর প্রমোশনের খবর শুনে চারভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে পারেন :

• সক্রিয়-গঠনমূলক প্রতিক্রিয়া ; স্বামীটি গভীর প্রেরণাদায়ক মন্তব্য করে স্ত্রীকে আরো উৎসাহিত করবেন: “খুবই ভালো খবর, প্রিয়! আমি জানতাম তুমি এটা পারবে। কারণ তুমি অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছ।”

• নিষ্ক্রিয়-গঠনমূলক প্রতিক্রিয়া ; শুধু একটি উষ্ণ হাঁসি এবং একটি সরল বাক্য- “ভালো খবর”।

• সক্রিয়-ধ্বংসাত্মক প্রতিক্রিয়া ; এমন একটি বিবৃতি যা ঘটনাটিকে হেয় করবে- “তার মানে তোমাকে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে কাজ করতে হবে? তুমি কি এত চাপ সামলাতে পারবে?”

• সবশেষে, নিষ্ক্রিয় ধ্বংসাত্মক প্রতিক্রিয়া ; বস্তুত সুখবরটিকে অগ্রাহ্য করা হবে: “তাই নাকি? ভালো, তুমি বিশ্বাসই করতে পারবে না বাড়ি ফেরার সময় আজ আমার সঙ্গে কী ঘটেছে!”

গবেষণায় দেখা গেছে, সক্রিয়-গঠনমূলক প্রতিক্রিয়া ব্যক্তকারী স্বামীটিই দাম্পত্য সম্পর্কে সবচেয়ে সুখী মানুষ।

৩. নিজেদের বন্ধুদের সঙ্গে আলাদাভাবে কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগ পান।
গত কয়েকদশক ধরে মানুষরা তাদের জীবন সঙ্গী বা সঙ্গিনীর ওপর অতিরিক্ত চাহিদা চাপিয়ে দিতে শুরু করেছেন। এখন আমরা আমাদের সঙ্গী বা সঙ্গিনীদেরকে শুধু অর্থনৈতিক অংশীদার, রক্ষাকর্তা এবং সহচর হিসেবেই প্রত্যাশা করি না বরং আমরা এখন তাদেরকে ব্যক্তিগত পরিপূর্ণতার সহায়ক হিসেবেও পেতে চাই।

৪. দুজনের রসবোধ একইরকমঃ-
মনোবিজ্ঞানী এবং ডেটিং সাইট ই হারমোনির প্রতিষ্ঠাতা নেইল ক্লার্ক ওয়ারেন বলেন, রোমান্টিক সম্পর্কে রসবোধ একটি ‘সামাজিক লুব্রিকেন্ট’ হিসেবে কাজ করে।

৫. ঘরের কাজ ভাগাভাগি করে করেনঃ-
এক জরিপে দেখা গেছে, ৬২% প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ বলেছেন, ঘরকন্নার কাজ ভাগাভাগি করে সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে দাম্পত্য সম্পর্ককেও আরো বেশি সফল করে তোলা সম্ভব। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরাই এখনো ঘরের বেশির ভাগ কাজ করেন। যদিও পুরুষরা এখন আগের চেয়ে ঘরের কাজে একটু বেশিই মনোযোগী হয়েছেন।

এ জাতীয় আরও খবর

হামলার আশঙ্কায় নিরাপদ প্রাসাদে সরানো হচ্ছে সৌদি যুবরাজকে

রাজনৈতিক অস্থিরতা মোকাবিলায় ঐক্য জোরদার করছে বিএনপি

দেশে নাশকতার ষড়যন্ত্র চলছে, সতর্ক থাকার আহ্বান রিজভীর

আমিরাতে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ নিয়ে আলোচনা

নবীনগরে ব্যাংক কর্মকর্তাকে ছুরিকাঘাত করে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ছিনতাই

নবীনগরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

নবীনগরে দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা প্রস্তুতিমূলক সভা

নবীনগরে ৩০ বছরের পুরোনো রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ২৫ পরিবার

হামের উপসর্গে আরও ২ জনের মৃত্যু

অবৈধ অভিবাসনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি সরকারের

ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, চাঁদপুরে ভূমি অফিসের কর্মচারী বরখাস্ত

সিইসির পদত্যাগের দাবিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে বিরোধীদের মিছিল