,

আতংকে বিদেশীরা: জার্মান দূতাবাসের দুই কর্মকর্তা আর ফিরবেন না

flag--jurmanনিউজ ডেস্ক : গুলশানে জঙ্গি হামলায় একসঙ্গে ১৭ জন বিদেশী নিহত হওয়ার পর বাংলাদেশে বসবাসরত বিদেশীদের মধ্যে আতংক কমছে না। ঢাকার জার্মান দূতাবাসে কর্মরত দুই জার্মান নাগরিক আর বাংলাদেশে ফিরবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। সূত্র ডয়েচে ভেলে।

ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. টোমাস প্রিনৎস বাংলাদেশের একটি টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘১ জুলাইয়ের ঘটনার পর বিদেশীদের মধ্যে এক ধরনের আতংক তৈরি হয়েছে। আমার অন্তত দু’জন সহকর্মী গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে যাওয়ার পর আর ফিরবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে কতজন সহকর্মী আর ফিরবেন না সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। কারণ এখনও গ্রীষ্মকালীন ছুটি চলছে। ছুটি শেষ হলেই জানা যাবে কতজন আসছেন না। যাদের শিশু সন্তান রয়েছে তাদের মধ্যে আতংকটা আরও বেশি।

হলি আর্টিজান বেকারিতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল নীপিন গঙ্গাধরের। বিদেশী এক বেসরকারি সংস্থার শীর্ষ পদে আছেন এই ভারতীয়। গুলশানে হামলার পর তার বন্ধুমহলের অনেকেই এখন ঢাকায় নেই। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘হামলার কথা জেনে প্রথমে স্তম্ভিত হয়েছি। ওটা একটা নিরাপদ জায়গা ছিল। আমরা প্রায়ই সেখানে যেতাম। ওখানকার রুটি আমার বাসার নিয়মিত খাবার ছিল। ওই হামলা বিদেশীদের শংকিত করে তুলেছে। কারণ অনেকে ওই হামলার গোলাগুলির শব্দ নিজ কানে শুনেছে। বাংলাদেশে একটি ভারতীয় এয়ারলাইন্সের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন শ্রীলংকান নাগরিক জেএফ মার্জিয়া। তিনি বলেন, ‘এটা একটা সুন্দও দেশ। ২৫ বছর আগে এ দেশে এসে আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম। এখনও ভালো লাগে। তবে সাম্প্রতিককালের ঘটনা খানিকটা উদ্বিগ্ন করেছে। এখন সতর্কভাবে চলাফেরা করি।’

গুলশানে সন্ত্রাসী হামলার পর কূটনৈতিক এলাকার বিদেশী নাগরিকদের বাড়তি নিরাপত্তা দিচ্ছে আইনশৃংখলা বাহিনী। দূতাবাসগুলোর সামনে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। নিরাপত্তার স্বার্থে সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে বিদেশীদের চলাফেরায়। তবে জার্মান রাষ্ট্রদূত বলেছেন, ‘গুলশান এত জনবহুল যে এখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিদ্র করা সম্ভব নয়। কারণ অনেক মানুষ এখানে প্রতিদিন বাইরে থেকে আসেন।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গার্মেন্ট ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে কোনো ক্রয় আদেশ এখনও বাতিল হয়নি। কোনো বিদেশী কোম্পানির ব্যবসা গুটিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্তও জানা যায়নি। তবে বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে অর্ডার কমে যাওয়ার আশংকা আছে।

তবে ২৮টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের জোট ‘আল্যায়েন্স’ বাংলাদেশ থেকে পোশাক কেনা অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে। অন্যদিকে ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট ‘অ্যাকর্ড’ বাংলাদেশে কর্মরত ইউরোপীয় কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

সাবেক স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে হিরো আলমের মামলা

আসিফের কণ্ঠে মাহবুবুল খালিদের নতুন গান ‘সখি তুই কি তেল মাখিস চুলে’

ধারাভাষ্য দল থেকে বাদ আথারটন-হুসেইন

জামায়াত আমিরের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের বৈঠক

অ্যাপল গ্লোবাল টেলের এমডি-চেয়ারম্যানের ২২ বছরের কারাদণ্ড

জামায়াত রাজনৈতিক দল নয়, একটি সমিতি: বিএনপি নেতা খোকন তালুকদার

ভারতজুড়ে বাংলাদেশের মতো অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগ শুভেন্দুর

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৮৫১

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা ইশরাকের

রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের এমডিদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল

নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, রায়ের কপি চেয়েছে ঢাকা