,

‘২০ বছরের মধ্যে সংখ্যালঘু শুন্য হবে বাংলাদেশ’

news-image

দেশে সংখ্যালঘুদের ক্ষমতায়ন নেই। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের প্রতিনিধিত্ব নেই বলে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, গত সাত বছরে সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব করার মতো কোনো প্রচেষ্টা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি। তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। এভাবে চললে দেশে আগামী ২০ বছরের মধ্যে সংখ্যালঘু শুন্য হবে।
শুক্রবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের মহাসমাবেশে এ কথা বলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
মহাসমাবেশে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা বলেছেন, জাতীয় সংসদে ধর্মীয় জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর যথাযথ অংশীদারিত্ব ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে। সমাবেশে বক্তারা বলেন, সংখ্যালঘুদের সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতায়ন করতে হবে। এটা সংখ্যালঘুদের অধিকার। অধিকার থেকে রাষ্ট্র কাউকে বঞ্চিত করতে পারে না।
মানবাধিকার কমিশনের চেয়াম্যান মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা সবাই বাঙ্গালী। এ ঐক্যে ফাটল ধরতে পারে না।’ তিনি আরো বলেন, ‘এ দেশে সংখ্যালঘুরা ভোট ব্যাংক হতে পারে না। বাংলাদেশ কোন গোষ্ঠী বা জাতি বা কোন সম্প্রদায়ের নয়।’
মিজানুর রহমান বলেন, যে দেশে সংখ্যালঘুরা নিজের ইচ্ছায় নিজেদের সব সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে বিক্রি করে দেন; সেই দেশে সংখ্যালঘুরা থাকবে কেমন করে আপনারাই জবাব দিন?

পরিষদের সমাবেশে বক্তারা বলেন, সংখ্যালঘুরা এখনো দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনার সরকার ক্ষমতায় থাকলেও সংখ্যালঘুদের ক্ষমতায়ন হয়নি। সমঅধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দাবিতে শুক্রবার রাজধানীতে মহাসমাবেশ করে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। বক্তাদের দাবি, সরকার পরিবর্তন হলেও ৪৪ বছরে সংখ্যালঘুদের প্রতি রাষ্ট্রের মৌলিক আচরণ একই রয়েছে।

হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টা সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বলেন, গত সাত বছরে সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব করার মতো কোনো প্রচেষ্টা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি। তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে।
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, যে দেশে সংখ্যালঘুরা নিজের ইচ্ছায় নিজেদের সব সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে বিক্রি করে দেন; সেই দেশে সংখ্যালঘুরা থাকবে কেমন করে আপনারাই জবাব দিন?
সমাবেশে ৭ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয় পরিষদের পক্ষ থেকে।
হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশ গুপ্ত বলেন, জাতীয় সংসদে সংখ্যালঘু ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর যথাযথ অংশীদারিত্ব ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যুক্ত নির্বাচনের ভিত্তিতে শতকরা বিশভাগ হারে ৭টি আসন সংরক্ষণ করতে হবে।

আগামী ৬ মাসের মধ্যে দাবি আদায় না হলে বৃহত্তর সমাবেশ ও আন্দোলনে যাওয়ার কথা জানান পরিষদের নেতারা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব:) সিআর দত্ত। বক্তব্য রাখেন, , অধ্যাপক নিম চন্দ্র ভৌমিক, আদিবাসী নেতা সঞ্জিব দ্রং, খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব নির্মল রোজারিও, ড. জিলা বোধি ভিক্ষু প্রমুখ। সমাবেশে পার্বত্য নেতা জ্যোতিইন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমার পক্ষে বক্তৃতা পাঠ করে শোনানো হয়। সমাবেশে পরিষদ সাত দফা পেশ করে তা আগামী ছয় মাসের মধ্যে মেনে নেয়ার আহ্বান জানায়।আগামী ৬ মাসের মধ্যে দাবি আদায় না হলে বৃহত্তর সমাবেশ ও আন্দোলনে যাওয়ার কথা জানান পরিষদের নেতারা।

এ জাতীয় আরও খবর

পূজার আয়োজনে ঘরেই বানান নারিকেলের নাড়ু

লোকসান ও বিদ্যুৎ বিলের চাপে বন্ধ হচ্ছে উল্কা সিনেমা হল

সব সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার কথা বলল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ: রিজভী

মঙ্গলবার থেকে টানা ৫ দিনের ছুটি, ছুটিতে থাকবেন না যারা

ঢাকায় তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকার আভাস

ফ্রান্সে বিক্ষোভ-সহিংসতা, গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০

সেঞ্চুরির পর ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রশংসায় আগা সালমান

টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ফ্রান্সে সহিংসতা, অপরাধীদের শাস্তির হুঁশিয়ারি ম্যাক্রনের

এমবাপ্পের জোড়া গোলে সেভিয়াকে উড়িয়ে দিল রিয়াল

জুলাইকে ধারণ করে না বিরোধীদল, তাই অনুষ্ঠানে আসেনি: প্রধানমন্ত্রী