,

ফেইসবুকের মায়া ছাড়তে পারছেন না সরকারি কর্মকর্তারা

news-image

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির শুরুতে গত ১৮ নভেম্বর বুধবার দেড়ঘণ্টা ইন্টারনেট থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বাংলাদেশ। যদিও সরকারের নির্দেশনা ছিল শুধুমাত্র ছয়টি প্ল্যাটফর্ম বন্ধের। বিটিআরসি ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাওয়াকে ‘ভুল বোঝাবুঝির’ ফসল বলে আখ্যা দিয়েছে। তবে ইন্টারনেট ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই বেশ কয়েকজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ফেসবুকে প্রবেশ করে সরকারের নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের ঘোষণা দেন। তারা বিকল্প উপায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের বিভিন্ন উপায়ের কথাও জানান।

বাংলাদেশের অন্যতম ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মোহাম্মদ রবিউল্লাহ ও মোসাদ্দেক জানিয়েছেন, তিনি প্রক্সি ব্যবহার করে ফেসবুকে প্রবেশ করেছেন যেখানে তার অনলাইন অবস্থান দেখানো হচ্ছে পাপুয়া নিউগিনিতে, যদিও তিনি অবস্থান করছেন বাংলাদেশে। অনলাইন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবের জানিয়েছেন, বর্তমান সময়ে ইন্টারনেটে কোনকিছু পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা অসম্ভব। কেননা নিষিদ্ধ বিষয়াদি ব্যবহারের বিভিন্ন বিকল্প আছে।

তিনি বলেন, এটা খুবই স্বাভাবিক যে কিছু ‘টেক-সেভি’ মানুষ নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ফেসবুক ব্যবহার করছেন কিংবা ভাইবার, ট্যাঙ্গো ব্যবহার করে কথা বলছেন। তবে এটা অস্বীকারের উপায় নেই নিষেধাজ্ঞার কারণে অনেক মানুষ এ সব সেবা ব্যবহার করতে পারছেন না, বিশেষ করে যাদের নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর উপায় জানা নেই। তবে সবচেয়ে বিস্ময়কর হচ্ছে, খোদ সরকারের কর্মকর্তারাই মানছেন না এই নিষেধাজ্ঞা।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ফেসবুক নিষেধাজ্ঞা মানছেন না। জুনায়েদ আহমেদ পলক বৃহস্পতিবার তাঁর ফেসবুকে ঢাকার একটি অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতির ছবি প্রকাশ করেন।
গত শুক্রবার বিকাল ৩ টা ৪০মিনিটের দিকে তিনি বিপিও সম্মেলনে নিজের উপস্থিতির একটি ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করেন। তবে তিনি এবিষয়টি অস্বীকার করেছেন!

তিনি জানিয়েছেন, আমি ফেসবুকে কিছু পোস্ট করছি না। আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি টুইটারের সাথে সিংক্রোনাইজ করা তাই আমি টুইটারে কিছু পোস্ট করলে সেটি ফেসবুকে পোস্ট হয়ে যাচ্ছে।
ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক ফেসবুক পাতাটিও নিয়মিত বিরতিতে হালনাগাদ তথ্য দিয়ে আপডেট করা হচ্ছে।

সংসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং গাজীপুর আসনের সাংসদ জাহিদ আহসান রাসেলকেও ফেসবুক ব্যবহার করতে দেখা গেছে। গত রোববার তিনি একটি স্ট্যাটাস পোস্ট করেন।

এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, কি বলতে হবে আমি বুঝতে পারছি না। আসলে এ ব্যাপারে কোন সদুত্তর আমার কাছে নেই। সম্ভবত আমার অভ্যস্ততার কারণে এটা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকনও নিয়মিত তার ফেসবুক পাতাটি ব্যবহার করছেন। গত কয়েকদিনে তিনি মাঝে মধ্যেই তার প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করেছেন। গত মঙ্গলবার শেষবারের মতো তাকে ফেসবুকে সক্রিয় দেখা যায়।

এ জাতীয় আরও খবর

পূজার আয়োজনে ঘরেই বানান নারিকেলের নাড়ু

লোকসান ও বিদ্যুৎ বিলের চাপে বন্ধ হচ্ছে উল্কা সিনেমা হল

সব সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার কথা বলল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ: রিজভী

মঙ্গলবার থেকে টানা ৫ দিনের ছুটি, ছুটিতে থাকবেন না যারা

ঢাকায় তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকার আভাস

ফ্রান্সে বিক্ষোভ-সহিংসতা, গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০

সেঞ্চুরির পর ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রশংসায় আগা সালমান

টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ফ্রান্সে সহিংসতা, অপরাধীদের শাস্তির হুঁশিয়ারি ম্যাক্রনের

এমবাপ্পের জোড়া গোলে সেভিয়াকে উড়িয়ে দিল রিয়াল

জুলাইকে ধারণ করে না বিরোধীদল, তাই অনুষ্ঠানে আসেনি: প্রধানমন্ত্রী