,

জলাবদ্ধতা, ইসলাম কি বলে

news-image

কোরআনে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ তা’আলা আকাশের দিক থেকে যে পানি বর্ষণ করেন, সে পানি দ্বারা পৃথিবীকে মৃত্যুর পর সজীব করেন। প্রত্যেক প্রকারের জীবজন্তুর বিস্তৃতি ঘটান। আসমান ও জমিনের মাঝখানে নিয়ন্ত্রিত বায়ু ও মেঘ পানির পরিবর্তনে জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শন বিদ্যমান।’
 
জমিনকে সজীব ও জীব জন্তুর উপকারের জন্য আল্লাহ পানি বর্ষণ করেন। ঘোষণাটি কোরআনের। অথচ আজ টানা পানি বর্ষণে দুর্ভোগে মানুষ। রাজধানীতে জ্বলাবদ্ধতায় মানুষের ভুগান্তির কমতি নেই। দূষিত পানি জমে আছে পথে ঘাটে বাসা বাড়ির নিচে। দূষিত পরিবেশে সৃষ্টি হচ্ছে রোগ বালা। এর কারণ কি? এগুলোর জন্য দায়ি মানুষ নিজেই। বৃষ্টির পানির সুষ্ঠু ব্যবহারে নেই কোনো কার্যকরি উদ্যোগ। ফলে একটুখানি বৃষ্টিতেই জ্বলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। এ বিষয়ে কোরআনে ঘোষিত হয়েছে, ‘জলে-স্থলে যে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে তা মানুষের অর্জনেরই ফসল’ (সূরা রুম : ৪১)।
 
ইসলামও পরিবেশ রক্ষার প্রতি গরুত্বারোপ করেছে। পরিবশে বিপর্যয়েও রয়েছে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা। এ নির্দেশনা না মেনে চলার কারণে রাজধানীতে জ্বলাবদ্ধতায় দূষিত পরিবেশের জন্য আমরা নিজেরাই দায়ি। ভাল পরিবেশ, উন্নত জীবনধারণ ও কল্যাণ অর্জন করা যায়, এর দিকনির্দেশনা দিয়েছেন আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (স)। তিনি পরিবেশের প্রতি ছিলেন খুবই যত্মবান।
 
জীবনধারণের অন্যতম উপকরণ পানি বিশুদ্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে গেছেন নবী সা.। তিনি পানির উৎস যেমন নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবা ইত্যাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার প্রতি গরুত্ব দিয়েছেন। মহানবী সা. পানিতে আবর্জনা, মলমূত্র ও বর্জ্য ত্যাগ করতে নিষেধ করেছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, ‘তোমরা লা’নত আনয়নকারী তিন প্রকার কাজ থেকে নিজেদের বিরত রাখো। তা হলো পানির উৎসসমূহে, রাস্তা-ঘাটে ও বৃক্ষের ছায়ায় মলমূত্র ত্যাগ করা।’ তিনি আরো বলেছেন , ‘তোমরা কেউ বদ্ধ পানিতে প্রস্রাব করে তাতে অজু করো না।’
 
 
পরিবেশ সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখার অন্যতম উপায় হচ্ছে নিজেদের দেহ-মন, ঘর-বাড়ি, রাস্তা-ঘাট ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। এ ব্যাপারে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সা. বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের পারিপার্শ্বিক পরিবেশকে দূষণমুক্ত করো এবং পবিত্র পরিচ্ছন্ন রাখো।’ তিনি আরো বলেন, ‘ঈমানের ৭২টি শাখা। তার মধ্যে সর্বোত্তমটি হলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আর সর্বনিম্ন হচ্ছে পথঘাট থেকে ক্ষতিকারক জিনিস দূর করা।’ পরিবেশ বিপর্যয় থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদের প্রতিটি নাগরিককেই সচেতন হতে হবে। এটা ঈমানেরই একটি শাখা। ঈমানের দায়িত্ব থেকেই আমাদের পরিবেশ রক্ষার প্রতি এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে