,

রাজধানীতে বিএনপি জোটের ৩ হাজার কর্মী, শীর্ষ ৩৫ নেতা কারাগারে

Bnp logo==রাজধানীতে  গত ৩ মাসে গ্রেফতারকৃত প্রায় ৩ হাজার নেতাকর্মী কারাগারে রয়েছেন। এদের মধ্যে শীর্ষ নেতা রয়েছেন ৩৫ জন। গত ৫ জানুয়ারি থেকে চলতি এপ্রিল পর্যন্ত ২০ দলীয় জোটের এসব নেতাকর্মীকে  আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আটক করেছেন। অধিকাংশ নেতাকর্মীকে  আটকের পর বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। যারা গ্রেফতার হয়েছেন তাদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা। এর মধ্যে দু’একটি মামলায় তারা জামিন পেলেও অধিকাংশ মামলাতেই জামিন মেলেনি। ফলে তারা কারাগারেই বন্দি আছেন।  এসব সক্রিয় নেতাকর্মীদের কারাগারে রেখেই নির্বাচনে যেতে হচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০দলীয় জোটকে। নতাকর্মীরা কারাগারে থাকায় ঢাকা দুই সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠ পর্যায়ে প্রচার প্রচারণায় কর্মী সংকট সৃষ্টি হয়েছে।  ঢাকা মহানগর পুলিশ এবং বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের সূত্র থেকে এসব তথ্য পাওয়া  গেছে।
অপরদিকে ২০ দলীয় জোট প্রার্থীরা এখনো মাঠে সক্রিয় নন। তাদের  বিরুদ্ধেও বামাবাজি, গাড়ি ভাংচুর, অগ্নিসংযোগসহ একই মামলা থাকায় তাদের প্রায় শতভাগই এখনো পলাতক। এমনকি, মেয়র হিসেবে যারা প্রার্থী হয়েছেন তাদের মধ্যেও ২০ দলীয় জোটের প্রার্থীরা এখনও প্রকাশ্যে মাঠে নেই। তারা মনোনয়নপত্র উত্তোলন এবং জমা দিয়েছেন তাদের প্রতিনিধিদের দিয়ে। মনোনয়ন জমা দিলেও এখনো অধিকাংশ প্রার্থী  নিজ বাসা তো দূরের কথা তার নির্বাচনী এলাকাতেই প্রবেশ করতে পারছে না।  উপরন্ত কোন কোন প্রার্থীর বাসাবাড়িতে পুলিশী হানার ঘটনা ঘটেছে।  এসব বিবেচনায় আদৌ তারা নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রচার প্রচরণায় অংশ নিতে পারবে কিনা তা নিয়ে সংশয় উৎকন্ঠা রয়েছে।
গত ৫ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনের পর থেকেই ২০ দলীয় জোট রাজধানীসহ সারাদেশে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে। গত ৫ জানুয়ারি থেকে লাগাতার কর্মসূচি পালন করে আসছে ২০ দল। এরমধ্যে টানা অবরোধ, হরতাল ও বিক্ষোভ কর্মসূচি রয়েছে। এসব কর্মসূচি চলাকালীন এবং অবরোধ-হরতাল পালন করতে গিয়ে রাজধানীতে প্রায় ৩ হাজার নেতাকর্মী আটক করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশ ডিএমপির মিডিয়া সূত্র থেকে পাওয়া গেছে গত ১ ফেব্রুয়ারি  থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্তই ২০দলীয় জোটের ৮০৯ জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। অপরদিকে বিএনপির মিডিয়া উইং বলেছে, গত ৩ মাসে শুধুমাত্র বিএনপির ২ হাজার ৫শ’র বেশি নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। এর মধ্যে শীর্ষ নেতা রয়েছেন প্রায় ৩৫ জন।  জামায়াতে ইসলামী বলেছে তাদের প্রায় দেড় হাজার নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা গেছে গত ৩ মাসে  ৩ হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

মহানগর বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, গত ৪ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত যত নেতাকর্মী আটক হয়েছেন এখনো পর্যন্ত একজনেরও জামিন হয়নি। বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীদের আটক করলেই তাদের জামিন অযোগ্য ঘোষণা দিয়েই আদালতে উপস্থাপন করছে পুলিশ।  ফলে আটককৃত ৩ হাজারের বেশি নেতাকর্মী কেউ জামিন পায়নি।  বরং শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের অনেক কর্মী সমর্থককেও পুলিশ দিনের পর দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

এদিকে, এখনো যারা গ্রেফতার এড়িয়ে আছেন তারাও ভয়ে মাঠে নামতে  পারছেন না। সামনে নির্বাচনে আদৌ তারা ২০ দলীয় জোট প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালাতে মাঠে নামতে পারবেন কিনা সে ব্যাপারেও নিশ্চিত নন তারা।

amadershomoys.com

এ জাতীয় আরও খবর

সাবেক স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে হিরো আলমের মামলা

আসিফের কণ্ঠে মাহবুবুল খালিদের নতুন গান ‘সখি তুই কি তেল মাখিস চুলে’

ধারাভাষ্য দল থেকে বাদ আথারটন-হুসেইন

জামায়াত আমিরের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের বৈঠক

অ্যাপল গ্লোবাল টেলের এমডি-চেয়ারম্যানের ২২ বছরের কারাদণ্ড

জামায়াত রাজনৈতিক দল নয়, একটি সমিতি: বিএনপি নেতা খোকন তালুকদার

ভারতজুড়ে বাংলাদেশের মতো অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগ শুভেন্দুর

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৮৫১

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা ইশরাকের

রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের এমডিদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল

নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, রায়ের কপি চেয়েছে ঢাকা