বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘আগামীর পৃথিবীর’ জন্য বিজ্ঞানীদের কৌশলপত্র

62aa7a9894c3edc8acb81819ed44268e-Untitled-4আন্তর্জাতিক ডেস্ক :জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর বিভিন্ন প্রভাব মোকাবিলায় টেকসই সমাধানের জন্য কাজ করতে হবে। আর তাই বিভিন্ন শাখার বিজ্ঞানীরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ-সংবলিত বৈশ্বিক কৌশল নির্ধারণ করেছেন। ‘ভবিষ্যতের পৃথিবী’ শীর্ষক ওই কৌশলপত্র অনুসরণের মাধ্যমে জাতিসংঘ নির্ধারিত টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কৌশলপত্রটি তৈরির সময় ৭৪টি দেশের মানুষ অনলাইনে মতামত দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার স্ট্র্যাটেজিক রিচার্স এজেন্ডা নামের এ কৌশলপত্রটি ফিউচার আর্থ ডট অর্গ নামের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

বিভিন্ন দেশের ওই বিজ্ঞানীরা ‘সবার জন্য পানি, জ্বালানি ও খাবার’ এবং কার্বন নির্গমন প্রতিরোধসহ মোট আটটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করেছেন। নীতিনির্ধারক এবং তহবিল জোগানদাতাদের ভূমিকার গুরুত্ব সম্পর্কেও ওই কৌশলপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। ‘ভবিষ্যতের পৃথিবী’ প্রকল্পের বিজ্ঞান কমিটির সহপ্রধান বেলিন্ডা রেয়ার্স বিবিসিকে বলেন, তাঁরা সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীদের নিয়ে একটি বৈশ্বিক গবেষণার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন অর্জনের পথে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি তাঁরা বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গেও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যতের জন্য কী ধরনের বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা প্রয়োজন, তা এই গবেষণায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার কাউন্সিল ফর সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের (সিএসআইআর) প্রধান বিজ্ঞানী রেয়ার্স বলেন, কৌশলপত্রে টেকসই উন্নয়নের জন্য আটটি চ্যালেঞ্জ বা করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে সবার জন্য পানি, জ্বালানি ও খাবার সরবরাহ করা; আর্থসামাজিক ব্যবস্থা থেকে কার্বন নির্গমন দূর করা; স্থল, স্বাদু পানি ও সামুদ্রিক প্রাকৃতিক সম্পদের সুরক্ষা করা; স্বাস্থ্যকর, বসবাসযোগ্য ও উৎপাদনমুখী শহর নির্মাণ করা; টেকসই গ্রামীণ উন্নয়ন; মানুষের স্বাস্থ্যের উন্নয়ন; টেকসই ভোগ ও উৎপাদনকে উৎসাহিত করা এবং ভবিষ্যতের বিভিন্ন হুমকি সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা তৈরি করা। জাতিসংঘের রূপরেখার আওতায় বৈশ্বিক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যেই এই কৌশলপত্র তৈরি করা হয়েছে।

টেকসই উন্নয়নের ধারণা বলতে বর্তমান প্রয়োজনগুলো মেটানোর লক্ষ্যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামর্থ্য ও প্রয়োজনীয়তায় কোনো ধরনের ছাড় না দিয়ে সার্বিক উন্নয়ন অর্জন করাকে বোঝায়। রেয়ার্স বলেন, গত ২০ বছরে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় যেসব বিনিয়োগ করা হয়েছে, তার অধিকাংশই ছিল অসামঞ্জস্যপূর্ণ বা খণ্ডিত। এখন ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতনতা অনেক বেড়েছে। পৃথিবীতে আগামী কয়েক দশকে ৯০০ থেকে এক হাজার ১০০ কোটি মানুষ যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে, সেগুলো নিয়ে ভাবা হচ্ছে। এখনকার চেয়ে বেশি উষ্ণ এবং অজানা পরিবেশে কীভাবে তাদের খাবারের সংস্থান করা হবে, সেটাও বড় এক চিন্তার বিষয়।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা