বিজয়নগর-আখাউড়া মাঝে একটি সরু সেতুর কারণে চরম জনদুর্ভোগ

news-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংবাদদাতা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চারটি উপজেলা মানুষের যান চলাচলের দূর্ভোগের কথা তুলে ধরা হলো বিকল্প কোন সেতু না থাকায় ভরসার এই জ্বর জন্য সেতু জেলা সদর ও বিজয়নগর, আখাউড়া ও কসবাকে সরাসরি সংযোগ দেওয়া প্রধান সড়কের একটি সরু সেতু দীর্ঘদিন ধরে চার লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিজয়নগরের চান্দুরা-আখাউড়া সড়কটি স্থানীয়দের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজারেরও বেশি ছোট-বড় যানবাহন চলাচল করে।

বর্তমানে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ফোরলেনের কাজ চলায় কুমিল্লাগামী অনেক গাড়িই বিকল্প হিসেবে বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা দিয়ে এ সড়ক ব্যবহার করছে। পাশাপাশি আখাউড়া স্থলবন্দরের ভারী যানবাহনও চলাচল করে এ রাস্তায় ফলে যানবাহনের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ।

কিন্তু উপজেলার সিঙ্গারবিল এলাকায় অবস্থিত পুরনো ও সংকীর্ণ সেতুটি এ পথের প্রধান প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি সেতুটি এতটাই সরু যে, একসঙ্গে দুটি গাড়ি আসা-যাওয়া ও পারাপার হতে পারে না। ফলে প্রায়ই যানবাহনের মুখোমুখি মতো দাঁড়িয়ে থাকার পরিস্থিতি তৈরি হয় ঘন্টার পর ঘন্টা সময় ব্যয় করতে হয় সকাল ও বিকেলের ব্যস্ত সময়ে প্রায় আধা কিলোমিটার পর্যন্ত দীর্ঘ সারিবদ্ধ হয়ে থাকে

বর্তমানে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ফোরলেনের কাজ, আশুগঞ্জ – আখাউড়া স্থলবন্দর বৃহত্তর রাস্তার নির্মাণ কাজ নির্দিষ্ট সময় শেষ না করার দীর্ঘতিতে কাজ চলমান রাস্তার বেহালদশা থেকে রেহাই পেতে ও সময় বাঁচাতে কুমিল্লাগামী অনেক গাড়িই বিকল্প হিসেবে এ সড়ক ব্যবহার করছে। পাশাপাশি আখাউড়া স্থলবন্দরের ভারী যানবাহনও চলাচল করে এখানে। ফলে যানবাহনের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ।

কিন্তু দুটি উপজেলা মাঝামাঝি হওয়ায় বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল আখাউড়া উপজেলার উত্তর ইউনিয়ন আমেদাবাদ এলাকায় অবস্থিত দুই উপজেলার মাঝখানে হওয়াতে সেতুটি নির্মাণে আইনি জটলা তার কারণে বহু বছর যাবত পুরনো ও সংকীর্ণ সেতুটি এ পথের প্রধান প্রতিবন্ধকতা।

সেতুটি এতটাই সরু যে, একসঙ্গে দুটি গাড়ি পারাপার হতে পারে না। ফলে প্রায়ই যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকাল ও বিকেলের ব্যস্ত সময়ে প্রায় আধা কিলোমিটার পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট তৈরি হয় এ যানজট পেরোতে কখনও এক ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যায়। এতে রোগী, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।

সিএনজি চালক জমির হোসেন বলেন, “ব্রিজটাই সমস্যা। এত সরু যে উল্টো দিক থেকে গাড়ি এলে সবাই দাঁড়িয়ে পড়ে। এতে সময়ও যায়, আয়ও কমে।”

মাইক্রোবাস চালক শামীম মিয়া বলেন, “এ সেতুর কারণে তীব্র যানজট হয়। অনেক সময় একটি গাড়ি আটকে গেলে কয়েক ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়।”

সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটির দুপাশের রাস্তার প্রস্থ প্রায় ২০ ফুট হলেও সেতুটি অর্ধেক প্রশস্ত। পুরনো ও জরাজীর্ণ এই সেতুর রেলিং ভেঙে গেছে, ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিজয়নগরের উপজেলা প্রকৌশলী আশিকুর রহমান ভূঁইয়া জানান, সিঙ্গারবিলের বিদ্যমান সেতুর স্থানে সাড়ে সাত মিটার প্রস্থের নতুন সেতু নির্মাণের প্রস্তাব সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সদর দপ্তর থেকে প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়ার পর নতুন সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হবে, এতে করে যান চলাচলের দুর্ভোগ কমে আসবে বলে মনে করেন এ কর্মকর্তা।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে সাড়ে তিন মাস পর হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেপ্তার ৬

নবীনগরে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নানকে আইনজীবী সমিতির সংবর্ধনা

ধর্মীয় নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ, বরখাস্ত পুলিশ কর্মকর্তা

মঙ্গলবার শপথ নিচ্ছেন মির্জা ফয়সল ও এলিজা জামান

২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন

৩৫ হাজার টাকায় সিজার, কয়েক ঘণ্টা পর প্রসূতির মৃত্যু; উধাও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ

১২ হাজার ৫০০ টাকায় শ্রমিকের সংসার চলে কীভাবে? প্রশ্ন সাদিকের

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২২৩ টাকা

ভাঙ্গায় দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে কলেজছাত্রসহ নিহত ২

সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে নতুন আইন, মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন

মাঠ দখলে দলবদলের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের পর বিএনপির প্রভাব: নাহিদ

শ্রমিক আন্দোলনে স্কুলছাত্রের মৃত্যুর গুজব, সুস্থ আছে সামি